পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তথ্য ও সত্য &సె চোদ লাইনেব কবিত। লেখাও চলে না । নিতান্ত যে উমেদাব সে যদি-বা লিখে বসে, তা হলে বডো ডাক্তারের সঙ্গে যোগ থাকা সত্ত্বেও চোদ দিনও সে কবিতার আযু রক্ষা হয না । অতএব রসের জগতেব আলোকরশ্মি এতবড়ো ডাক্তারের মধ্য দিযেও পার হযে যায। কিন্তু এই ডাক্তারকে যে তার সমস্ত প্রাণমন দিযে ভালোবেসেছে তার কাছে ডাক্তার রসবস্তু হযে প্রকাশ পায । হবামাত্র ডাক্তারকে লক্ষ্য করে তার প্রেমাসক্ত অনাযাসে বলতে পারে— জনম অবধি হম রূপ নেহার্য নযন ন তিরপিত ভেল, লাখ লাখ যুগ হিষে হিষে রাখহ তবু হিয জুড়ন ন গেল। আঙ্কিক বলছেন, লাখ লাখ যুগ পূর্বে ডারুষিনের মতে ডাক্তারের পূর্বতন সত্তা যে কী ছিল সে কথা উত্থাপন করা নীতিবিরুদ্ধ না হলেও রুচিবিরুদ্ধ। যা হোক, সোজা কথা হচ্ছে, ডাক্তারের কুষ্ঠিতে লাখ লাখ যুগের অঙ্কপাত হতেই পারে না। তর্ক করা মিছে, কারণ শিশুও এ কথা জানে। ডাক্তার যে সে তো সেদিন জন্মেছে ; কিন্তু বন্ধু যে সে যে নিত্যকালের হৃদযের ধন। সে যে কোনো এক কালে ছিল না আর কোনো এক কালে থাকবে না, সে কথা মনেও করতে পারি নে। জ্ঞানদাসের দুটি পংক্তি মনে পড়ছে— এক দুই গণইতে অস্ত নাহি পাই, রূপে গুণে রসে প্রেমে আরতি বাঢাই । এক-দুইযের ক্ষেত্র হল বিজ্ঞানের ক্ষেত্র। কিন্তু রসসত্যের ক্ষেত্রে যে প্রাণের আরতি বাড়তে থাকে সে তো অঙ্কের হিসাবে বাডে না । সেখানে এক-দুইযের বালাই নেই, নামতার দৌরাত্ম্য নেই। অতএব কাব্যের বা চিত্রের ক্ষেত্রে যারা সার্ভে-বিভাগের মাপমাঠ নিযে সত্যের চার দিকে তথ্যের সীমানা একে পাকা পিলুপে গেথে