পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


と め স্বষ্টি আজ এই বক্তৃতাসভায আসব বলে যখন প্রস্তুত হচ্ছি তখন শুনতে পেলুম, আমাদের পাডাব গলিতে সানাই বাজছে। কী জানি কোন বাড়িতে বিবাহ । খাস্বাজের করুণ তান শহরের আকাশে আঁচল বিছিযে ल्लिल । উৎসবের দিনে বঁাশি কেন বাজে। সে কেবল সুরের লেপ দিযে প্রত্যহের সমস্ত ভাঙাচোরা মলিনতা নিকিযে দিতে চায। যেন আপিলের প্রযোজনে লৌহপথে কুত্রতার রথযাত্রা চলছে না, যেন দর-দাম কেনাবেচা ও-সমস্ত কিছুই না। সব ঢেকে দিলে । ঢেকে দিলে কথাটা ঠিক হল না, পর্দাটা তুলে দিলে— এই ট্রামচলাচলের, কেনাবেচার হাকডাকেব পর্দা। বরবধূকে নিযে গেল নিত্যকালের অন্তঃপুরে, রসলোকে। তুচ্ছতার সংসারে, কেনাবেচার জগতে বরবধুরাও তুচ্ছ ; কেই-বা জানে তাদের নাম, কেই-বা তাদের আসন ছেডে দেয। কিন্তু রসের নিত্যলোকে তারা রাজাবালী । চারি দিকেব ছোটো বডো সমস্ত থেকে সরিযে নিযে এসে কিংখাবের সিংহাসনে তাদের বরণ করে নিতে হবে । প্রতিদিন তারা তুচ্ছতাব অভিনয় করে, এষ্টজন্তেষ্ট প্রতিদিন তার ছাযার মতো অকিঞ্চিৎকর । আজ তারা সত্যরূপে প্রকাশমান, তাদের মূল্যের সীমা নেই, তাদের জন্তে দীপমালা সাজানো, ফুলের ডালি প্রস্তুত, বেদমন্ত্রে চিরন্তন কাল তাদের আশীর্বাদ করবার জন্তে উপস্থিত। এই বরবধূ, এই দুটি মানুষ যে সত্য, কোনো রাজা-মহারাজার চেযে কম সত্য নয, সমস্ত সংসার তাদের এই পরিচযটি গোপন করে রাগে । কিন্তু সেই নিত্যপরিচয প্রকাশ করবার ভার নিযেছে বঁাশি । মনে করো-না কেন, এককালে তপোবনে থাকত একটি মেযে, সেদিনকার