পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সৃষ্টি १७ মানবায়ার পূর্ণস্বরূপের বিকাশে— তা অহৈতুক, তা আপনাতে আপনি পর্যাপ্ত। যিশুখ্রস্ট ম্যেবির চরম আত্মনিবেদনের সহজ রূপটি দেখলেন ; তখন তিনি নিজের অন্তরের পূর্ণতাকেই বাহিরে দেখলেন। মেরি যেন উার আয়ার স্বষ্টিরূপেই উার সম্মুখে অপরূপ মার্যে প্রকাশিত হল। এমনি করেই মাহ্য আপন সৃষ্টিকার্যে আপন পূর্ণতাকে দেখতে চাচ্ছে। কৃচ্ছসাধনে নয, উপকরণসংগ্রহে ন্য। তার আত্মার আনন্দ থেকে তাকে উদ্ভাবিত করতে হবে স্বর্গলোক – লক্ষপতির কোষাগার নয, পৃথ্বীপতির জ্যস্তম্ভ নয়। তাকে যেন লোতে না ভোলায, দন্তে অভিভূত না কবে ; কেননা সে সংগ্ৰহকর্তা নয, নিৰ্মাণকর্তা নয়, সে সৃষ্টিকর্তা । )\O○》 কাতিক