মানবচরিত্র ও প্ৰতিজ্ঞার বল । তাহাদের এত আকর্ষণ ? কেবল কি মুখের কথাতে ? সেরূপ কথা এবং তদপেক্ষা উচ্চ উচ্চ কথাতো তুমি আমি প্রতিনিয়ত চারিদিকে বলিয়া BDDDBBS D BDDB DBDD DB S BDDBD DBDBB S DBDBB মোহ নিদ্রা ভঙ্গ হইল ? মানুষ যে কথা বলে তদ্বারা কাজ হয় না, কিন্তু যাহা বলিতে বাকি রাখে, তদ্বারাই কঁাজ হয়। অর্থাৎ সেই কথার পশ্চাতে যদি এমন কোন অব্যক্ত সাধুতা না থাকে, शाशब्र छांश cलहैं কথার উপর পড়িয়া কথাকে সুন্দর করে, যাহা হইতে সেই কথাও তদনুরূপ কত কথা উৎপন্ন করে, তবে সে কথাকে গলিত পত্রের ন্যায়। লোকে উপেক্ষা করে। জগতের মহাজনাদিগের কথাতে যে লোকে আকৃষ্ট হইত, তাহার কারণ এই যে, তঁহাদের সঙ্গে মিশিয়া কাছে বসিয়া ও আলাপ করিয়া তাহারা অগ্ৰে দেখিত যে, তঁহাদের অন্তরে অগাধ সাধুতার খনি, তৎপরে সেই সাধুতার ছায়া পড়াতেই এক একটি কথা জীবন্ত বীজের ন্যায় জীবন উৎপন্ন ক্ষরিত । এই গুঢ় জীবনপ্রক্স শক্তি, এই অব্যক্ত সাধুতা, এই হৃদয়নিহিত সাধুতার উৎস-ইহাই চরিত্র, छेइ! মানবপ্রকৃতিসঞ্চিত বল ( Reserve force ) SSLDDEDBSDBuBDS DBDD ggSLiDBD BBS BDDBB DD আপনাকে চালিত করে ও যদ্বারা আপনাকে শাসিত করে, সেই ধৰ্ম্মনিয়ম ও সেই আত্মশাসন শক্তিই চরিত্র। এই অর্থে চরিত্র মানবের আয়ত্তাধীন ও আত্মশাসন শক্তি এবং প্রতিজ্ঞতার বল সস্থত। এই চরিত্র গঠন সম্বন্ধে মানবমনের সম্পূর্ণ আধিপত্য। এখন বিবেচনা করা যাউক কি কি উপাদানে এই চরিত্র গঠিত হয়। সমুদায় চরিত্রবান ব্যক্তির মানসিক দুইটা গুণাবলির বিষয় চিন্তা করিয়া দেখিলে তঁহাদের চরিত্রের মূলে প্রধানতঃ দুটা উপাদান দৃষ্ট হইবে । প্ৰথম উপাদান, ধৰ্ম্মনিয়মে বিশ্বাস। ধৰ্ম্মের নিয়ম সকলে অবিচলিত
পাতা:সাহিত্য-রত্নাবলী - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৮৫
অবয়ব