মানবচরিত্র ও প্ৰতিজ্ঞার বল । yv আমেরিকার ভূতপূৰ্ব্ব প্রেসিডেণ্ট গারফিলড সাহেব অতি দরিদ্র লোকের সন্তান ছিলেন । তিনি সপ্তদশ বৎসর বয়সে যখন সামান্য কাৰ্য্যের দ্বারা অর্থে পার্জন করিবার মানসে স্বগৃহ পরিত্যাগ করেন, তখন তাহার ধৰ্ম্ম-পরায়ণ মাতা তাহাকে একটি কথা বলিয়া দিয়াছিলেন । ( Dare to do the right, my boy) "atti Szi zsák zfi জানিবে তাহাতে প্ৰবৃত্ত হইতে ভয় পাইওনা”। কি আশ্চৰ্য্য উপদেশই সেই দরিদ্রের পত্নীর মুখ হইতে বাহির হইয়াছিল। গারফিলড নিজে বলিয়াছেন, মায়ের এই অমূল্য উপদেশ অবিনশ্বর অক্ষরে তঁাহার হৃদয়পটে চিরদিন অঙ্কিত ছিল। ইহারই জন্য তিনি সাধুতাচরণে কখনও ভীত হইতেন না। পরে বয়ঃপ্ৰাপ্ত ও উচ্চপদস্থ হইয়া যখন তঁাহাকে কাৰ্য্যকালে লোকের প্রতিকূলতা ও আপত্তি পদে পদে সহ।" করিতে হইত, তখন তিনি জননীর পূর্বের কথাগুলি স্মরণ করিয়া হৃদয়ে বল সঞ্চয় করিতেন । ধৰ্ম্ম নিয়মে বিশ্বাস স্থাপন করিতে না পারিলে মানবের अश्मुखछे श्व ना । দ্বিতীয় উপাদান, আত্মশাসন। আপানকে যিনি স্বীয় শাসনে রাখিতে অসমর্থ তাহার চরিত্র অন্যাপি গঠিত হয় নাই। জগতের চরিত্ৰৰাৰ ব্যক্তিগণ এই গুণে শ্রেষ্ঠ ছিলেন। কেবল বিশ্বাস দ্বারা ধৰ্ম্ম-নিয়ম সকলকে দেখিলেই হইবে না, আপনাকে সেই সকল ধৰ্ম্ম-নিয়মের অনুগত করিতে পারাই মহত্ব। মানুষ যখন আপনার চিত্তকে আপনি শাসন করিয়া । আপনাকে ধৰ্ম্ম নিয়মের অনুগত করে, তদপেক্ষা সুন্দর দৃশ্য আর কিছুই নাই। আপনাকে কৰ্ত্তব্য জ্ঞানের অধীন করিবার চেষ্টাতেই মানুষের হৃদয় মনকে মহৎ করে । কারণ স্বার্থপরতা ও সুখশক্তিকে অতিক্রম করিতে না পারিলে মানুষ প্রকৃতরূপে কৰ্ত্তব্য-পরায়ণ হইতে পারে না। " মহামনা চরিত্রবান ব্যক্তিমাত্রেরই আত্মশাসন-শক্তি দেখিতে পাওয়া
পাতা:সাহিত্য-রত্নাবলী - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৮৭
অবয়ব