পাতা:সাহিত্য-সাধক-চরিতমালা প্রথম খণ্ড.pdf/১৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भृङ्गाबय विशालकात्र שא:ץ শেষার্দ্ধেই দেখিভে পাই, সেই মৃত্যুঞ্জয়েব বাংলা রচনা লইয়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ঐতিহাসিকেরা উপহাস করিতেছেন ! মৃত্যুঞ্জয়ের অধিকাংশ রচনাই এখন আমাদের হস্তগত হইয়াছে, সুতরাং আন্দাঞ্জে বা লোকশ্রুতি অনুযায়ী তাহাল রচনার বিচার করা আর চলে না। এই রচনাগুলি পাঠ করিয়া আমরা দেখিতে পাইতেছি যে, বাংলা-গল্পের যখন নিতান্ত শৈশব বস্থা, তখনই তিনি বিভিন্ন গদ্যরীতি লইয়া পরীক্ষা চালাইয়াছেন এবং তঁহার বিভিন্ন পুস্তক বিভিন্ন রীতিতে রচনা করিবার দুঃসাহস দেখাইয়াছেন । ঐ শিশু ভাষার ভবিষ্ণুং বিচিত্র সস্তাবনার কথা সৰ্ব্বপ্রথম তাহারই মানস নেত্রে ধর। পড়িয়াছিল এবং কোনও প্রাচীন আদর্শের অভাবে তিনি নানা আদর্শ লইয়া পরীক্ষা করিয়াছিলেন । অবশু এ কথা ঠিক যে, সংস্কৃত ভাষায় অদ্বিতীয় জ্ঞানী মৃত্যুঞ্জয় সংস্কৃত রীতিকে যত দূর সম্ভব প্রাধান্ত দিয়াছেন, কিন্তু খাটি বাংলা রীতিকেও তিনি উপেক্ষা করেন নাই ।. স্মৃষ্টির ত্যাদিতে স্মৃষ্টিকৰ্ত্তা যখন উপকরণ লইয়া পরীক্ষা করেন, তখন সমগ্র ভবিষ্যৎকে তিনি দেখিতে পান না বলিয়া কোনও একটি বিশেয প্রকরণকেই একান্ত করিয়া দেখিতে পারেন না । মৃত্যুঞ্জয়ও কোনও একটা নির্দিষ্ট রীতিকেই একমাত্র রীতি বলিয়া প্রচার করিতে পারেন নাই ; শিল্পিসুলভ প্রেমে সবগুলিকেই ভবিষ্যৎ বিচারকের হাতে তুলিয়া দিয়াছেন । র্তাহার ‘বত্রিশ সিংহাসন, ‘হিতোপদেশ, ‘রাজাবলি, "বেদান্তচন্দ্রিকা এবং বিশেষ করিয়া প্রবোধ