পাতা:সাহিত্য-সাধক-চরিতমালা প্রথম খণ্ড.pdf/২২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


3 ఆ রামনারায়ণ তর্করত্ন কবি আর কেহ ছিল না । তাহার প্রণীত “আধ্যাশতক” ও “দক্ষযজ্ঞ” সৰ্ব্বত্র বিশেষ প্রশংসালাভ করিয়াছে । দক্ষষজ্ঞ প্রণয়ন করাতে ইংলণ্ডীয় মহাত্মা ই, বি, কাউয়েল ইহঁকে “কবিকেশরী’ উপাধি পাঠাইয়াছিলেন । বস্তুতঃ সংস্কৃত ভাষায় তাহার কবিত্বশক্তি এতদূর মধুর এবং গাঢ় ছিল ষে তাহার নাম না থাকিলে কেহ তাহার প্রণীত কাব্যগুলি অাধুনিক কবিব রচিত বলিয়া অনুমান করিতে পাবেন না। তাহার সংস্কৃত বচন। এতদূর প্রাঞ্চল এবং অলঙ্কারপূর্ণ, যে তাহরে অর্ষ্যিাশভক এবং দক্ষ যজ্ঞ সহসা করিচড়ামণি কালিদাসের রচিত বলিয়। ভ্রম হয় । কলিকাতা সংস্কৃত কলেজে অলঙ্কারের পণ্ডিতরূপে বহু বীর অধ্যাপন কাৰ্য্যে নিযুক্ত থাকিয়া ইনি ছাত্রদিগের নিরতিশয় শ্রদ্ধাভাজন হইয়াছিলেন । হিন্দুধৰ্ম্মেব ময্যাদ। বৃদ্ধির জন্য ইহার এতদূর যত্ব ছিল যে সঞ্চিত অর্থ তিনি ক্রিয়াকলাপে ব্যয় করিতেন । তিনি নিজ বাটীতে একটি হরিসভা। প্রতিষ্ঠা করিয়া প্রতি সুবিবার বক্তৃতা ও ধৰ্ম্মশাস্ত্র পাঠাদি দ্বাৰ। সভjদিগকে উপদেশ দান করিতেন । তাঁহারই যত্নে তাহার জন্মভূমি হরিনাভিগ্রামে সংস্কৃত শিক্ষার নির্মিত্ত একটি চতুষ্পাঠী খোলা হইয়াছিল। নিজে অধ্যাপকতা করিয়া অনেক দিন উক্ত চতুষ্পাঠীর মর্য্যাদা বুদ্ধি করিয়াছিলেন । তিনি যেমন স্থপণ্ডিত ছিলেন তাদৃশ সুবক্তাও ছিলেন। ষে সভায় তিনি উপস্থিত থাকিতেন তাহার মধুর বক্তৃতা শুনিবার জন্য সভাস্থ সকলেই ব্যগ্র হইতেন এবং তিনিও তাহাদিগকে রসগর্ত ও উপদেশপূর্ণ বকৃত দ্বারা মুগ্ধ করিতেন। ইহার অভাবে আপামর সাধারণ এবং বিশেষতঃ দক্ষিণাত্য বৈদিক সমাজ যে বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন তাহা অার বলিবার অপেক্ষ নাই । পণ্ডিত রামনাৰায়ণ তর্করত্ব দরিজ পরিবারে জন্মগ্রহণ করিয়া