পাতা:সাহিত্য-সাধক-চরিতমালা প্রথম খণ্ড.pdf/৫৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জয়গোপাল তর্কালঙ্কার ংলা ভাষা ও সাহিতের গঠনে শিল্পী হিসাবে প্রত্যক্ষভাবে যিনি খ্যাতিলাভ করেন নাই অথচ পরোক্ষভাবে যাহার দান অতুলনীয়, সেই পণ্ডিত জয়গোপাল তর্কালঙ্কার ভট্টাচার্য্যেয় সহিত আধুনিক যুগের সাহিত্যসেবীদের পরিচয় সাধন করিবার প্রয়াসে এই সংক্ষিপ্ত জীবনীটি । “সাহিত্য-সাধক-চরিতমালা”য় লিপিবন্ধ করিতেছি । এই ভাবে আপনাকে সম্পূর্ণ আড়ালে রাখিয়া মাতৃভাষার সেবা করিতে সে যুগের আর কোনও পণ্ডিতকেই আমরা দেখি না । গষ্ঠ পন্থ উভয়বিধ রচনায় তাহার অসাধারণ দক্ষত্ত ছিল । ষে ‘সমাচার দর্পণ' উনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকের শেষাৰ্দ্ধ হইতে প্রায় অর্থ শতাব্দীকাল বাংলা দেশের সাহিত্য, সমাজ, শিক্ষা ও ধর্শ্বে বহু পরিবর্তন ও সংস্কার সাধনে সহায় হইয়াছিল, জম ক্লার্ক মার্শম্যান নামে তাহার সম্পাদক হুইলেও প্রথমাবস্থায় পণ্ডিত জয়গোপালই ছিলেন তাহার স্তম্ভ। এই সংবাদপত্র মারফৎ তিনিই খজু কঠিন বাংলা ভাষাকে নমনীয় করিয়া আমাদের প্রাত্যহিক ব্যবহারের উপযোগী করিয়া তুলিম্বাছিলেন । তাহার দ্বিতীয় অসাধারণ কীৰ্ত্তি— কৃত্তিবাসের রামায়ণ ও কাশীরাম দাসের মহাভারতের সংস্কার সাধন । ৰাংলা দেশের ঘরে ঘরে শতাব্দীকালেরও উৰ্দ্ধকাল কৃত্তিবাস ও কাশীরাম দাসের নামাঙ্কিত যে দুইটি মহাকাব্য পাঠত ও গীত হইয়াছে, তাহার भामांशंद्भिौ उॉषां ८ष अग्रप्शाणाrजब, ५ कथा भांछ मामब्र कब्र जन