পাতা:সাহিত্য-সাধক-চরিতমালা প্রথম খণ্ড.pdf/৭৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রামমোহন রায় ও বাংলা-গম্ভ ዓ» १श-श्रृंरश्रद्र गांधू ७ छलङि चैंौङि जड़ेब्रांe डिग्रेि नद्रौक कबिम्नांहिरणन । হুতরাং স্রষ্টা যদি কাহাকেও বলিতে হয়, তাহার দাবী সৰ্ব্বাগ্রে । কিন্তু বাংলা-গম্বা সম্পর্কে রামমোহনের কীৰ্ত্তিও সামান্ত নয়। তিনি বাংলা ভাষায ধৰ্ম্ম সম্বন্ধে বন্থ পুস্তক ও বাংলা ভাষার একটি ব্যাকরণ প্রণয়ন করিয়াছিলেন । সে-যুগের বাংলা-গন্ধে সংস্কৃত শব্দের খুব বাহুল্য থাকিত, সেজন্য সাধারণ লোকের উহা বুঝিতে কষ্ট হুইত । রামমোহন এই রীতির বিরোধী ছিলেন । তিনি বাংলা রচনা যাহাতে সাধারণ লোকের বোধগম্য হয়, তাহার পক্ষপাতী ছিলেন । অযশু "হার নিজের লেখাও আজকালকার বাংলা-গষ্ঠের তুলনায় জনেঞ্চ বেশী সংস্কৃতৰস্থল ও আড়ষ্ট । তবু তিনি যে সে-যুগের এক জন বিশিষ্ট ংলা-গদ্য-লেখক, সে-বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই । বাংলা-গদ্যে গুরুগঞ্জীর বিষয় লইয়া প্রবন্ধরচনার অন্ততম প্রবর্তৃক প্লামমোহন । তাহার শাস্ত্রবিচার ও তৎসংক্রান্ত বিবাদমূলক রচনার সাহায্যে বাংলা-গষ্ঠের গুরুত্ব যে প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি পাইয়াছিল, তাহাতে আর সন্দেহ মাই । তিনি এক দিকে প্রাচীন সংস্কৃত শাস্ত্রসমূহকে ভাষায় প্রকাশ করিয়া যেমন ভাষার ভাব ও শব্দসম্পদ বুদ্ধি করিয়াছিলেন, তেমনই অন্য দিকে তর্ক ৪ বিচারমূলক গ্রন্থ রচনা করিয়া ভাষায় প্রকাশশুঙ্গির দু, তা ও মননশীলতা সঞ্চার করিয়ু৷ ইহাকে ঋজু, সতেঞ্জ ও পুষ্ট করিয়াছিলেন। মুতু্যঞ্জয়ের মত এ-বিষয়ে তিনি সৰ্ব্বদা সজাগ ছিলেন । ষ্ঠাহার ব্যাকরণের বাক্যরীতি অধ্যায়ে তিনি পদের অন্বয় সম্বন্ধে স্বাহ বলিয়াছেন, তাহা হইতেই প্রমাণ হইবে যে, ভাষার সৌষ্ঠব সাধনে তিনি বিবিধ রীতি প্রয়োগের কথা জানিতেন । আমরা নিয়ে গুড়ার বন্ধবিধ রচনা হইতে কয়েকটি দৃষ্টান্ত উদ্ভূত করিলাম। ইহা ইহঁতেই বাংলাগদ্য সম্পর্কে তাহার কৃতিত্ব অনেকটা বুঝা যাইবে ।--