পাতা:সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা (ষট্‌বিংশ ভাগ).pdf/৫৪

উইকিসংকলন থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88 সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা * [ ১৭ সংখ্যা উত্তর। “পাখী সৰ করে রব রাতি পোচাইল'-এই পদের একটা শব্দও সংস্কৃত-সন্ম মহে। অথচ জানি, পদটা আধুনিক। স্বীকার করি, “কৃষ্ণকীৰ্ত্তনে”। অধুনা-প্রচলিত কয়েকটা শব্দের প্রাচীন রূপ আছে। সে সব একত্র করিতে পারিলে যুক্তির বলসঞ্চার হইত। আমি জানিতে চাই, কোন কোন রূপ কোন সময়ে প্রচলিত ছিল, কোন সময়ে ছিল না। মনে মাখিবেন, “কৃষ্ণকীৰ্ত্তন” কেবল “প্রাচীন” নহে, সাড়ে পাঁচ শত বৎসরের প্রাচীন। সে সময়ের বাঙ্গালা ভাষায় “প্ৰাকৃত” ও “তজাত” শব্দ কি পরিমাণে চলিত ছিল, তাহা তা জানি না । অন্য দিকে দেখুন, বসন্তবাবু যে সকল পুস্তক হইতে “কৃষ্ণকীর্তনে” প্রযুক্ত শব্দ তুলিয়াছেন, বোধ হয়, সে সবেয়,একখানাও তিন শত বৎসরের সে দিকের নয়। অতএব যে যে শব্দ প্রাচীন , ঠেকিতেছে, সে সবের প্রাচীনতার মর্যাদা এই। বিপত্তি ঘটাইয়াছে, নবীন বা আধুনিক রূপে । প্রত্নলিপিবিদের বিবেচনায় লিপির প্রাচীন রূপ দেখিয়া পুখীর বয়স গণিতে হইবে ; আমার বিবেচনায় নবীন রূপ দেখিয়া গণিতে চাইবে। ” (২) অ আ বানান। আমি অ স্থানে আ পাইয়া পুখীর দেশভ্রমণ অনুমান করিয়াছি। সতীশবাবু বলেন, “দেশবিশেষের বর্তমানের ব্যবহার দেখিয়া সাড়ে পাঁচ শত বৎসরের প্রাচীন ব্যবহার সম্বন্ধে অনুমান কি ঠিক ? বীরভূম প্ৰভৃতি মিথিলার সন্নিহিত [ ? ] দেশে ৫.৬ শত বৎসর পূর্বে অ-কারের মৈথিলী উচ্চারণব্যুৎ উচ্চারণ বৰ্ত্তমান থাকা সম্ভব, এবং প্ৰাচীন কালে পুথির বানান সম্বন্ধে কোন ধরা-বাধা BDD D DB BDY BBDDY D KE চণ্ডীদাসও কোন স্থলে 'ধ্বনি-অনুযায়ী ও কোন স্থলে “সন্ধেত’ অনুযায়ী “অ’ ও ‘আ’ লিখিয়াছেন,-এরূপও ত কল্পনা করা যাইতে পারে।” উত্তর। “কৃষ্ণকীৰ্ত্তনে”র প্রাপ্ত পুখী যে সাড়ে পাঁচ শত বৎসরের, ইঠাই সাধ্য। সাধ্যকে সাধন করিতে পারা যায় না। সাধ্যকে ধরিয়া উৎপ্রেক্ষাও করিতে পায়া যায় না । আমি BDDD DBBS sLBBB DDDD BBDBDBD DBBBBS gBDDLDBD S DDD DBB S B L শত বৎসর পূর্বে বীরভূমে অ স্থানে আ উচ্চারণ ও লিখন অসম্ভব নয়। কিন্তু কোন দেশ প্ৰথমে দেখিব ? যে দেশে আ-ঙি, আ-ধি-ক অস্থাপি আছে, না যে দেশে মাই ? (৩) অনুজ্ঞায় আনিআ-র (আন ), কহিমা-য় ; কহ ) ইত্যাদি স্ন-যুক্ত ক্রিয়াপদ রাজবংশী BDBDD DBDB S DDBDBD BBDBDBuSBDB BBDBD SDDD SiDBuBL SS DDDD গ্ৰাম্য কথ্যভাষায় এখনও কাঁও-এর, বাও-এর, খাও-এর ইত্যাদি অনুজ্ঞার পদ সৰ্ব্বদা শুনিতে পাওয়া যায়। বীরভূমেও যে প্রাচীন কালে সেরূপ ছিল না, কে বলিবে ? উত্তয়। এখানেও সাধ্যকে সিদ্ধ বিবেচনা কয়া হইয়াছে। যিনি বলিবেন ছিল, তাইকে প্ৰমাণ विरङ হইবে N (৫) আমি বিভক্তি বিচার করিয়া লিখিয়াছি, “সেটা কি ভাষা, যেটায় কারক ও ক্রিয়ায় ঠিকানা নাই।” সতীশ বাৰু লিখিয়াছেন, “বাঙ্গাল হিন্দী মৈথিল-এই তিনটি ভাষায়ই একই ক্রিয় ও কারাকবিভক্তির একাধিক প্রয়োগ দেখা যায়।”