পাতা:সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা (ষট্‌বিংশ ভাগ).pdf/৬০

উইকিসংকলন থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ato . সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা [ YR YNevis কল্পনার প্রয়োজন থাকে না। নূতন, যেটা প্ৰত্যক্ষের বিরোধী । তথাপি, গণিতের লাঘবও চিন্তান্ন বিষয়। পৃথিবী স্থির, ইহা ঐত্যক্ষ হইতেছে। গ্রহগুলি অস্থির। অস্থিরকে রবিকেন্দ্ৰক DBB DD BrB BDBS BDB DDB BB BDDBBD DED DDD S ५श्क्रश्न यूखि बाबा हैश्iदर्भ টাইকো এবং এ দেশে সে-দিনকার চন্দ্ৰশেখর পঞ্চ তারা-গ্রহের রবিকেন্দ্ৰক’ গতি স্বীকার করিয়া, রবিকে পৃথিবীর চারি দিকে ঘোরাইয়াছেন (সিদ্ধান্তদর্পণ, ৫ম প্রকাশে । ख्रिंथब्रप्र्क এই নুতন কল্পনার হেতু জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম। তিনি বলিয়াছিলেন, এই সকল গ্রহের গতি সূৰ্য-সম্বন্ধে লক্ষ্য করিলে রবিকে মাঝে বসাইতে হয়, পৃথিবীকে নহে। কথাটা তাহার নিকট এত সোজা হইয়া গিয়াছিল যে, তিনি যে নূতন কিছু বলিতেছেন, তাহা বোধ হয় নাই। তিনি আরও বলিয়াছিলেন, প্রাচীন জ্যোতিষীদিগের মত ও নিশ্চয় এইরূপ ছিল। দুঃখের বিষয়, তখন তাহঁাকে এই উক্তির প্রমাণ দেখাইতে বলি নাই । বুধ ও শুক্র তাহঁাদিগকে যে বিশেষ চিন্তিত করিয়াছিল, তাহা অল্পেই বুঝিতে পারি। a চুআল্লিশ বৎসর পূর্বে কাশীর বাপুদেব শাস্ত্রী “প্রাচীন, জ্যাতিষাচার্যাশয়ৱৰ্ণমম’ নামে একখানি পুস্তিকা প্রচার করিয়াছিলেন। তাহাতে তিনি যুক্তি দ্বারা দেখাইয়াছেন, “ভৌমাদি পঞ্চগ্রহের রবিকেন্দ্ৰক ভ্ৰমণ মূল-গ্ৰন্থকারদিগের অভিমত ছিল। নতুবা তাহঁাদিগের মতে পাতভগণপাঠ অনুচিত হইয়া পড়ে।” কিন্তু যদি পূর্বাচার্যগণের ইহাই অভিপ্রেত ছিল, তাহা হইলে তাহারা পৃথিবীর চারি দিকে গ্ৰহস্রমণ ও দর্শন করিলেন কেন ? ইহার উত্তরে শাস্ত্রীজী লিখিয়াছিলেন, লোকের বিশ্বাস এবং অল্পায়াসে গোলস্কৃিতি বুঝাইবার নিমিত্ত সুৰ্যোয় ধৰ্ম্মগুলি ধারণীতে আরোপ করিয়াছিলেন । তাষ্ঠীর যুক্তি অল্প কথায় সুবোধ হইবে না। যাহারা গ্ৰহগণিত বুঝিয়াছেন, তাহঁরা উক্ত পুঁস্তিক। BK SDBBBD KESDDDSSS SS guDDS BLBDDDB BDB cथन, cदनाभन ) । আমরা প্ৰাচীন কালের বহু গ্ৰন্থ পাই নাই। এ কারণ বহু স্থলে • আমাদিগকে সত্যমির্থ্য কল্পনা করিতে হইতেছে। টীকাও পাই নাই। আর্যভটের মাত্র দুইখানি টীকা মুদ্রিত হইয়াছে, আরও কত টীকা ছিল, কে জানে। কারণ, তাহঁর খ্যাতৃিপ্রতিপত্তি, অল্প ছিল না। অপর কথা কি, ব্ৰহ্মগুপ্তকে একটা অধ্যায় লিখিতে হইয়াছিল । Ο কয়েক বৎসর হইল, মালাবার প্রদেশে লিখিত’ এক টীকার সংবাদ পাওয়া গিয়াছে গ টীকাকারের নাম কেরলনীলকণ্ঠ-দোমিষাজী । টকা-প্ৰণয়ন-কাল প্ৰায় ১৫০০ খ্ৰীষ্টাঙ্গ । দক্ষিণের স্তান্তপিল্লে মহাশয় মালয়লম ভাষায় আর্যভট সম্বন্ধে এক বক্তৃতা করেন। তাই।ার পুত্র রামলিঙ্গম পিল্পে, বি এ, তাহা ইংরেজীতে অনুবাদ করিয়াছেন, এবং নটেশন কোম্পানীর “ইণ্ডিয়ান রিভিউ” মাসিক পত্রে প্রথমে প্ৰকাশ করিয়া, পরে পুস্তিকাকারে ছাপাইয়াছেন। এই বক্ততায় আর্যভট সম্বন্ধে অনেক কথা আছে। ইংরেজীর অনুবাদ হইতে দুইটির উল্লেখ করিতেছি। আর্যভটের “শীঘ্রোচ্চেনাপি বুধ-শুক্রেী” ( গোলপাদ .), ইহায় ব্যাখ্যায় টীকাকায় লিখিয়াছেন, পৃথিবী, হইতে দেখিলে বুধাশুক্রকে এক একটি ছোট বৃত্ত করিতে দেখায়, স্বাদশ রাশি