পাতা:সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা (ষট্‌বিংশ ভাগ).pdf/৭৯

উইকিসংকলন থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ya YORU. ) আচাৰ্য রামেন্দ্ৰম্বন্দর ত্ৰিবেদী \ গণের চিত্তলোক অভিষিক্ত করিয়াছ। তোমার হৃদয় সুন্দর, তোমার বাক্য সুন্দর, তোমায় হাত সুন্দর, হে স্নামেন্দ্ৰম্বন্দর, আমি তোমাকে সাদর অভিনন্দন করিতেছি।” سے ’’ ১৩১৯ সালে রামেন্দ্ৰ १ांवृतः *ब्र अङJ४ 'অসুস্থ হইয়ঃ পড়িয়াছিল।” মাথার পীড়ার জন্য তিনি পরিষদের কাৰ্য্য হইতে কিছু কালের জন্য অবসর গ্ৰহণ করেন। কিন্তু এ সময়েও Lt BBDDD DBL BtSBDE D gBDBuD u DB DDDB BD S BDBBD DuS gBDBB অসম্পূর্ণতা, যেখানে মনোমালিন্য ঘটিত, সেখানেই রামেন্দ্র বাবুর হস্ত-সংকেত কৰ্ত্তব্যপথ, উন্নতির পথ, শান্তির পথ নির্দেশ করিয়া দিত। পরিষদের কর্তৃপক্ষগণ সকল বিষয়ে রামেন্দ্ৰ বাবুর দিকে চাহিতেই অভ্যস্ত হইয়াছিলেন, তাই আগন্ধ তাহার অভাবে 하f, বিয়োগে সুদক্ষ নাবিকেরাও যেরূপ চঞ্চল হইয়া পড়ে, সেইরূপই চঞ্চল হইয়াছেন ৷ ” রামেন্দ্র বাবু অনুস্থ শরীরেই কলিকতা সৃহিত্য-সম্মিলনে বৈজ্ঞানিক শাখার সভাপতিত্ব করিয়াছিলেন। কৰ্ত্তব্যের আহবান তিনি কখনও অবহেলা করেন নাই এবং তিনি যে সেবাব্রত জীবনের সাধনা বলিয়া গ্ৰহণ করিপ্লাছিলেন, তাহা প্ৰাণপাত করিয়া সম্পন্ন করিতে কখনও ক্ৰটি করেন নাই। আমার মনে হয়, তিনি এমন করিয়াই কঁহার ভঙ্গপ্রবণ স্বাস্থ্য নষ্ট করিয়া ফেলিয়াছিলেন। তাহার শরীর একটু সুস্থ হইতে না হইতেই তিনি নিজ ইচ্ছাক্রমে ১৩২২ BLSS gBDDK KDDB BKBDDBBS BBE BKK DBBD D DBBD S BBDuDuD DBBDD S BDDD যদিও ঠাহায় যোগ্য, সহকারী সভাপতির পদ, তাহাকে প্ৰদান করিলেন, তথাপি সে নিক্রিয় পদে তিনি বেশী দিন আপনাকে আবদ্ধ করিয়া রাখিতে পাঞ্ছিলেন না । তিনি ১৩২৪ সালে স্বেচ্ছাক্রমেই গুরুতর শ্রমসম্বুল পত্রিকাধ্যক্ষের পদ গ্ৰহণ করিৱেনি :- পরিষৎ-পত্রিকা তাহারই স্নেহময় হস্তে গত দুই বৎসর কাল কাটাইয়াছে। পত্রিকা-সম্পাদন-কাৰ্য্যে তাহার উৎসাহের ནf ছিল না ; সৰ্ব্ববিভাশে কৃতিত্ব থাকা হেতু তিনি পরিষৎ-পত্রিকাখনিকে অনেক বিষয়ে উন্নীত করিয়া গিয়াছেন [ রামেন্দ্র বাবুর শরীর দ্রুত ভাঙ্গিয়া পড়িতেছিল। এই কারণে গত ১৮ই জ্যৈষ্ঠ বাধিক আঁধিবেশনে পরিষৎ, তাহাদের দেয় সৰ্ব্বোচ্চ সন্মান-সভাপতিপদ - তাহাকে প্ৰদান করিলেন । অনেকে মনে করিতে পারেন যে, এই সভাপতি-পদ বহু দিন পূৰ্ব্বে রামেন্দ্র বাবুর পাওয়া উচিত ছিল। তাহারা জানেন না যে, গত কয়েক বৎসর ধরিয়া পরিষদের কৰ্ম্মাধ্যক্ষ নিয়োগের পরীমর্শ সাধারণতঃ ঘামেশ্র বাবুর ভবনেই হইত এবং রায়েন্ত্র বাবুর নির্দেশ-মতই অনেকটা কাৰ্য্য হইত। এ ক্ষেত্রে স্নামেন্দ্র বাবুকে সভাপতিপদ গ্রহণে সম্মত করা দুঃসাধ্য ছিল। এ বৎসল্প কাৰ্য্যনিৰ্বাহক-সমিতি তঁহাকে সভাপতি-পদে মনোনীত করিলেন শুনিয়া তিনি ৰে পত্র লিখিয়াছিলেন, তাহার কয়েক ছত্র উদ্ধৃত করিতেছি,-“আমি চিরজীবন পরিষদের সেবকের সূৰ্য্য করিয়া যাইব, ইহাই আমার জীবনের আকাঙ্ক্ষা- পরিষদের নেতৃত্বগ্ৰহণ আমার কাজী নহে। কাৰ্য্যনিৰ্বাহক সমিতি আমায় এই চিরপোষিত আকাজকায় বাধা দিবেন। কি ?” আমি এত ক্ষণ সাহিত্য-পরিষদের দিক দিয়াই রামেন্দ্র বাবুন্ন কাৰ্য্যকলাপের আলোচনা