পাতা:সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা (ষোড়শ ভাগ).pdf/৩২৮

উইকিসংকলন থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


፭ ክ” বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের S BD LLB BBDuBSS DBDK SDDDS ED DDB BiBi DBDB DD gLSS যায়; কিন্তু পাণিনি বিশুদ্ধ “স্ত্ৰ্যম্বক” শব্দই ব্যবহার করিতে বলিয়াছেন। আর্য-ভাষার কথায় একটা কথা বলিতে হয়,--“আমরা অাৰ্য না অনাৰ্য্য ইহাই এখন বিচাৰ্য্য দাড়াইয়াছে। আৰ্য্য ও অনাৰ্য্যের নির্বাচন এখন গণ্ডাস্থি ভালাস্থি ও করোটীর গঠনের উপর নির্ভয় করে । জৰ্ম্মণিতে পুরাকালে সাতটি মান আিম গুণী ছিল, তাহদের গঠন-ভেদ ছিল । ইহাদের ম:থা পাঁচটি মাগুলোর বংশধুরের বর্তমানতা প্রমাণিত হইয়াছে, অপর মণ্ডল দুই টন্ন সন্ধান পাওয়া যাইতেছে না। কেহ কেহ দিয়া করিয়া বলেন,-আমরা হিন্দুরা ঐ স্থািটর মধ্যে একটির বংশধর হাঁটলেও হইতে পারি। তবে নাকি আমাদের গণ্ডাস্থির পরিমাণ DBDDDBDB DDD SS S DDDBDS DSDSBBD DBBBB BDBDSDBkDBD বলেন, रकाiी-डाषद्र YKK EBB L DuTDSK SKYYSKS gttBDSS LLLLLLlLLLLLLLLSS SDDDK DBBzS BD হইলেও হইতে পার । অতএব সমস্ত ভাষার মূল যে আমাদের এই সংস্কৃত ভাষা, ইহা আমাদের প্রমাণ করিতে যথেষ্ট বেগ পাইতে হইবে ; বহু আলোচনা, গবেষণা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভিতর দিয়া কাজ করিয়া যাইতে হইবে। শ্ৰীযুক্ত কিশোল্পীমোহন রায় বলিলেন, সাহিত্য-পরিষদের প্রতি নিবেদন এই প্ৰবন্ধের বিষয়ীভূত সত্যটি যাহাতে কেবল বাঙ্গালা ভাষায় আবদ্ধ না থাকে, বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হইয়া পণ্ডিত সমাজের গোচরীভূত হয়, তাহার জন্য পরিষৎ চেষ্টা করুন। এ সকল কথা প্ৰাশ্চাত্য পণ্ডিতমণ্ডলীর মধ্যেও প্রচারিত হওয়া বাঞ্ছনীয়। শ্ৰীযুক্ত শিবা প্ৰসন্ন ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় বলিলেন, বিদ্যারত্ন মহাশয় আমাদের বিশেষ ধন্যবাদেয় পাত্র । তিনি আমাদিগকে অনেক গবেষণার কথা শুনাইয়াছেন। সংস্কৃত আদি ভাষা ইহা বিশ্বাস করিবার হেতু আছে। তিনি অনেক ভাষার উদাহরণ দিয়া বুঝাইতে চেষ্টা SSBBLBBDS DBDB DBDBS BD SLDuDuuD BDDLD D DBSB DBB gDDBD SYBB BD DBYS S BLBLBDB LCLLL LLEEE LKYYBD LSCCL KEB DBEDD BDBBB S SLLLLSS শঙ্ককে তিনি ‘স্ব’ শব্দের রূপান্তর প্রমাণ করিয়া দিতেন । ইউরোপীয় পণ্ডিতগণের মধ্যে ও কেহ কেহ বিদ্যারত্ন মহাশয়ের সহিত এক-মতাবলম্বী। এই সকল বিষয়ের আলোচনার যে কেবল ভাষাতত্ত্ব বুঝা যায়, এমন নহে। আমাদের শব্দতত্ত্বের আলোচনায় ঋষিরা। ব্ৰহ্মজ্ঞানের সাধনা দেখাইয়া গিয়াছেন-শব্দই ব্ৰহ্ম। শুধু শব্দ কেন, আমরা আব্ৰহ্মাস্তম্ব পৰ্যন্ত “সৰ্ব্বং খৰিদং ব্ৰহ্ম বলিয়া জ্ঞানের সাধন করিয়া থাকি, তেমনি স্বদেশী বিদেশী সকল, শব্দ লাইয়া আলোচনা করিলে হয় ত কালে নিশ্চিতরূপে পণ্ডিত উমেশচন্দ্রের উক্তি,-সংস্কৃতই সকল ভাষায় আদি জননী বলিয়া বুঝতে পারিব, সমস্তই সংস্কৃতময় দেখিব। পণ্ডিত শরচ্চত্র শাস্ত্রী মহাশয় বলিলেন, বিদ্যারত্ন মহাশয়ের প্রবন্ধ শিক্ষাপ্রদ ও প্রয়োঅীয়। ইহা কোন মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হইয়া আলোচিত হয়, ইহাই বাঞ্ছনীয়। পয়ে কিশোৰীবাবুর প্রস্তাব মত অনুদিত হইলেই চলিৰে। a