বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:সীতা-হরণ-পাঁচালী - কৃষ্ণেন্দ্র রায় (১৯২৭).pdf/৭

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
সীতাহরণ পাঁচালী
৩


চিন্তেন স্ব-ইষ্টদেবে দিবা বিভাবরী॥
একদা মধ্যাহ্ণ কালে বসি কুটীরেতে।
সুপ্রসঙ্গে কাল রাম হরেন্ হৃষ্টচিতে॥
দৈবের নির্ব্বন্ধ বল কে করে খণ্ডন।
প্রাঙ্গণেতে স্বর্ণযুগ দিল দরশন॥
শ্রীরাম ভাবেন মনে একি অমঙ্গল।
রাক্ষস আসিল বুঝি পাতি কোন ছল॥
নানা চিন্তা রঘুনাথ করিতে লাগিল।
ক্ষণকালে মৃগ পুনঃ অদৃশ্য হইল॥
অচিরে আসিয়ে ছলে কুঢ়ীর বাহিরে।
নাচিতে নাচিতে পুনঃ যায় চলি দূরে॥
এইরূপে বারম্বার মৃগ আসে যায়।
সীতার হইল শ্রদ্ধা ধরিতে তাহায়॥
করযোড়ে বলে সীতা শুন রঘুমণি।
দাসীরে হরিণ শিশু ধরি দেও আনি॥
পালন করিব আমি অতি সুযতনে।
দেখাইব সকলেরে অযোধ্যা ভবনে॥
এমন সুদৃশ্য মৃগ হেরি নাই আর।
শীঘ্র ধরি আন ধরি, চরণে তোমার॥


রাগিণী—ভৈরবী।

তাল—রূপক।

আনহে শীঘ্র করি, সুবর্ণ মৃগধরি,
স্বযত্নে পালিব নাথ তাহারে।
বিলম্ব নাহি কর, ধরহে সুসত্বর,
নহিলে যাবে চলি সুদূরে॥