বিভীষণের হাঁটার নমুনা প্রদর্শন
নেপথ্যে জাম্বুবানের কণ্ঠস্বর
বিভীষণ ও সুগ্রীব। অ্যাঁ—কি!
গান
যদি রাবণের ঘুঁষি লাগে গায়—
তবে তুই মরে যাবি—তবে তুই ম-রে যা-বি—
ওরে, পালিয়ে যারে পালিয়ে যা
তা না হলে মরে যাবি—
লগুড়ের গুঁতো খেয়ে হঠাৎ একদিন মরে
[বিভীষণের প্রস্থান
রাবণের প্রবেশ
গান
তবে রে রাবণ ব্যাটা
তোর মুখে মারব ঝ্যাঁটা
তোরে এখন রাখবে কেটা
এবার তোরে বাঁচায় কেটা বল্।
(তোর) মুখের দুপাটি দন্ত
ভাঙিয়া করিব অন্ত
তোর এখনি হবে প্রাণান্ত
আয় রে ব্যাটা যমের বাড়ি
ওরে পাষণ্ড, তোর ও মুণ্ড খণ্ড
খণ্ড করিব।
যত অস্থি হাড়, হবে চুরমার, এমনি
আছাড় মারিব॥
ব্যাটা গুলিখোর বুদ্ধি নেই তোর
নেহাত তুই চ্যাংড়া।
আয় তবে আয় যষ্টির ঘায় করিব
তোরে ল্যাংড়া॥
রেখে দে তোর গলাবাজি
ওরে ব্যাটা ছইচো পাজি
অন্তিম সময় আজি
ইষ্টদেবে কর রে নমস্কার।
তুই রে পাষণ্ড ঘোর
পাল্লায় পড়িলি মোর
উদ্ধার না দেখি তোর
মোর হাতে না পাবি নিস্তার॥
ওরে বেয়াদব কহিলে যে-সব
ক্ষমা যোগ্য নহে কখন
তার প্রতিশোধ পাবি রে নির্বোধ
পাঠাব শমন সদন॥
রাবণের সুগ্রীবকে প্রহার
ওরে বাবা ইকী লাঠি
গেল বুঝি মাথা ফাটি
নিরেট গদা ইকী সর্বনেশে!
কাজ নেই রে খোঁচা খচি
ছেড়ে দে ভাই কেদে বাঁচি
সাধের প্রাণটি হারাব কি
লক্ষ্মণের প্রবেশ ও রাবণের গান
- আমার সহিতেলড়াই করিতে
আগ্রহ দেখি যে নিতান্ত—
- বুঝেছি এবারওরে দুরাচার
ডেকেছে তোরে কৃতান্ত।