দূতদ্বয় প্রস্থানোদ্যত ও দ্বারদেশে যমসহ সাক্ষাৎ
যমের অগ্রসর হওয়া
দ্বিতীয় দূত। ওরে এবার লড়াই বাধবে—
প্রথম দূত। হ্যাঁরে ভারি মজা দেখা যাবে—
বিভীষণ। তুই কে রে ব্যাটা মরতে এসেছিস?
যমের আবৃত্তি
কালরূপী মৃত্যু আমি যম নাম ধরি—
সর্বগ্রাসী সর্বভুক সকল সংহারি॥
সর্বকালে সমভাব সকলের প্রতি,
ত্রিভুবনে সর্বস্থানে অব্যাহত গতি॥
অন্তিমেতে দেখা দেই কৃতান্তের বেশে—
মোর সাথে পরিচয় জীবনের শেষে॥
সংসারের মহাযাত্রা ফুরায় যেমন—
শ্রান্তজনে শান্তি দেই আমিই শমন॥
পাহাড় লইয়া হনুমানের প্রবেশ
হনুমান। জয় রামের জয়!
যমের মাথায় হনুমানের পাহাড় স্থাপন। যমের পতন
প্রথম দূত। ও কি রে!
দ্বিতীয় দূত। ঐ যা! চাপা পড়ে গেল!
প্রথম দূত। তাই তো রে, চাপা পড়ল যে!
প্রথম দূত। তাই তো। আমারও যে পাওনা আছে।
দূতদ্বয়ের গান
প্রথম দূত। ওরে যম ব্যাটা যে দিল
ফাঁকি
দ্বিতীয় দূত। মোদের তেরো আনা মাইনে
বাকি
প্রথম দূত। আহা দেখ না ব্যাটা হল
নাকি?
দ্বিতীয় দূত। ওর চুল ধরে দে না ঝাঁকি।
প্রথম দূত। এই বিপদকালে কারে ডাকি
হায় হায় যম ব্যাটা যে দিল
ফাঁকি।—অ্যাঁক্
হনুমান কর্তৃক দূতদ্বয়ের গলা পাকড়ানো
হনুমান। ভাগ! ভাগ!—ব্যাটারা গান ধরেছে যেন কুকুরের লড়াই বেধেছে।
বিভীষণ। এবার সকলকে ডেকে নিয়ে আয়
লক্ষ্মণকে ধরাধরি করিয়া হনুমানের সহিত সকলের প্রবেশ
সকলে। ওটা কিরে? ওটা কিরে?