পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-প্রথম খন্ড.djvu/১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Twist (TC-R I SIRIỡTC*R “Kinema Colom'-čHỀI Rf3 UTC*i II UTC-#sGFi তার চেয়ে অনেক ভালো । তখনো রবীন্দ্রনাথ নোবেল প্রাইজ পান নি কিন্তু রয়াল কোট থিয়েটরে ‘ডাকঘর’ অভিনীত হয়েছিল আর মালিনী ও চিত্রাঙ্গদার অভিনয়ের তোড়জোড় চলছিল | ছয়টির ফাঁকে তিনি বোণমাথ ও ট্রেভোজ সোয়নেজে বেড়িয়ে এলেন এবং শেষে য়ুরোপের কণ্টিনেণ্টের কয়েকটি দেশ ঘুরে ১৯১৩-র অক্টোবরে দেশে ফিরলেন। পণজীবন : ছবি ছাপার যে কোনো সক্ষম ও কঠিন বিষয় হাতে নেওয়ার সাহস ও দক্ষতা অজন করে দেশে ফিরে সকুমার ইউ. রায় এন্ড সন্সের কাজে စ္သစ္ကူ၊ এর প্রয়োজন ছিল, কারণ উপেন্দ্রকিশোর তখন কঠিন রোগে আক্ৰান্ত— বেল। ঢাকার খ্যাতনামা সমাজসেবক কালীনারায়ণ গুপ্তের দৌহিত্রী, স্যর কে. জি. গুপ্তের ভাগনী—সপ্রেভার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হল। এই বিয়েতে যোগ দেবার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহ থেকে কলকাতায় এসেছিলেন। সপ্রভা অপব সন্দের গান গাইতেন আর কার্যশিল্পেও তাঁর দক্ষতা আস্তে আস্তে ফটে উঠেছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর গান এত পছন্দ করেছিলেন যে শান্তিনিকেতনে তো বটেই, কলকাতায় এসেও অনেক সময়ে তাঁকে ডেকে নিয়ে নিজের নতুন গান শিখিয়ে দিতেন। সেবায়, নিষ্ঠায় তিনি প্রায় আদশপথানীয়া ছিলেন। রায়বাড়ির সম্মান শধ্যে রক্ষা করবার নয়, বাড়িয়ে তুলবার মতো মেয়ে ছিলেন সপ্রভা। বস্তুত এ বিয়ে রাজযোটক হয়েছিল। ঘটনাস্রোত দ্রত বয়ে চলছিল। সকুমার দেশে ফেরার আগেই, ১৯১৩ সালে সন্দেশ পত্রিকা প্রকাশিত হল। ১৯১৪ সালে ১oo নম্বর গড়পার রোডের নতুন বাড়িতে "ইউ, রায় এন্ড সন্স'-সহ রায়পরিবার উঠে এলেন। সামনের দিকে একতলায় আপিস ও ছাপাখানা, আর দোতলায় স্টুডিও ইত্যাদি; পেছনে একতলা থেকে তেতলা পর্যন্ত থাকার জায়গা। কিন্তু সখের পাত্র পণ্য হতে না হতে যেন ফটো হয়ে গেল। ১৯১৫ সালে, মাত্র বাহান্ন বছর বয়সে উপেন্দ্রকিশোর মারা গেলেন। মাত্র আটাশ ও তেইশ বছর বয়সে, জাতীয় ও আন্তজাতিক ঝড়ের মাঝখানে, সকুমার আর সবিনয় কারবার ও সংসারের সমস্ত ভার মাথায় তুলে নিলেন। কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েও দুই ভায়ের সামাজিক জীবনে শৈথিল্য এলো না। স্কুমার ব্রাহ্ম যত্নবসমিতিকে নতুন করে জাগিয়ে তুললেন, কাজের সঙ্গে আমোদ-প্রমোদও মিশিয়ে নিলেন। সেইরকম উপলক্ষে তাঁর ছড়া পাওয়া যায়— “মাঘোৎসবের স্টিমার পাটি মস্ত মজার ব্যাপার, জনরোরাগী চল্ল খেপে মাথায় বেধে র্যাপার। খাবার দাবার নিয়ে সবাই উঠলো নায়ে চেপে, মংলা এলো শিং বাগিয়ে জংলী এলো খেপে।” মংলা আর জংলী হলেন দ্বারকানাথ গংগোপাধ্যায়ের দুই ছেলে প্রফুল্লচন্দ্র এবং প্রভাতচন্দ্র গংগোপাধ্যায়। জীবনী ` ని