পরিশিষ্ট : বর্জিত রচনাংশ
পৃ ৩৫, বঙ্গদর্শন ও আত্মশক্তি গ্রন্থে ‘স্বদেশী সমাজ’ প্রবন্ধের পরিশিষ্ট’ এই শিরোনামে * চিহ্ন দিয়া একটি পাদটীকায় বলা হয়: ইহা ইতিপূর্বে বঙ্গবাসীতে বাহির হইয়া গেছে। ইত্যাদি। এই প্রবন্ধের বর্জিত রচনাংশ নিম্নে সংকলিত—
১৭‘স্বদেশী সমাজ’-শীর্ষক যে প্রবন্ধ আমি প্রথমে মিনার্ভা ও পরে কর্জন রঙ্গমঞ্চে পাঠ করি,[১] তৎসম্বন্ধে আমার শ্রদ্ধেয় সুহৃদ্ শ্রীযুক্ত বলাইচাদ গোস্বামী মহাশয় কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন করিয়াছেন। নিজের ব্যক্তিগত কৌতূহলনিবৃত্তির জন্য এ প্রশ্নগুলি তিনি আমার কাছে পাঠান নাই, হিন্দুসমাজনিষ্ঠ ব্যক্তিমাত্রেরই যে যে স্থানে লেশমাত্র সংশয় উপস্থিত হইতে পারে, সেই সেই স্থানে তিনি আমার মনোযোগ আকর্ষণ করিয়া আন্তরিক কৃতজ্ঞতাভাজন হইয়াছেন।
কিন্তু প্রশ্নোত্তরের মতো লিখিতে গেলে লেখা নিতান্তই আদালতের সওয়াল জবাবের মতো হইয়া দাঁড়ায়। সেরূপ খাপছাড়া লেখায় সকল কথা সুস্পষ্ট হয় না, এইজন্য সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ আকারে আমার কথাটা পরিস্ফুট করিবার চেষ্টা করি।
পৃ ৪০-৪৩, †† চিহ্নের অন্তর্বর্তী অংশ বঙ্গদর্শনে বা আত্মশক্তিতে ছিল না। আত্মশক্তির প্রবন্ধান্তর হইতে গৃহীত।
পৃ ৪৪, একবিংশ ছত্রে ‘প্রশ্ন উঠিয়াছে’র পূর্বপাঠ—
১৮গোস্বামিমহাশয় আমাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছেন
১১৭
- ↑ গত ৭ই শ্রাবণ শুক্রবার মিনার্ভারঙ্গমঞ্চে চৈতন্যলাইব্রেরির বিশেষ অধিবেশনে প্রবন্ধটি প্রথম পঠিত হইয়াছিল। তাহার পর পরিবর্ধিত আকারে ১৬ই শ্রাবণ রবিবার কর্জন-রঙ্গমঞ্চে ভাদ্রের বঙ্গদর্শন হইতে পুনঃপঠিত হয়।