গ্রন্থপরিচয়
‘যে দেশে জন্মেছি কী উপায়ে সেই দেশকে সম্পূর্ণ আমার আপন করে তুলতে হবে’ এ বিষয়ে জীবনের বিভিন্ন পর্বে রবীন্দ্রনাথ বারবার যে আলোচনা করিয়াছেন তাহার কেন্দ্রবর্তী হইয়া আছে তাঁহার ‘স্বদেশী সমাজ’ (১৩১১) প্রবন্ধ। এই প্রবন্ধ ও তাহার আনুষঙ্গিক যে-সকল তথ্য ও রচনার সন্ধান পাওয়া গিয়াছে, তাহার অধিকাংশ বর্তমান গ্রন্থে সংকলিত হইল।
১৩৩৬ সালে লিখিত ‘রবীন্দ্রনাথের রাষ্ট্রনৈতিক মত’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ‘স্বদেশী সমাজ’ প্রবন্ধের যে ‘মর্মকথা’র ব্যাখ্যান করেন, এই গ্রন্থের সূচনায় তাহা মুদ্রিত হইল।
‘স্বদেশী সমাজ’ প্রবন্ধ [১৩১১ সালের] ‘৭ই শ্রাবণ শুক্রবার মিনার্ভা রঙ্গমঞ্চে চৈতন্য-লাইব্রেরির বিশেষ অধিবেশনে... প্রথম পঠিত হইয়াছিল। তাহার পর পরিবর্ধিত আকারে ১৬ই শ্রাবণ রবিবার কর্জন-রঙ্গমঞ্চে [১৩১১] ভাদ্রের বঙ্গদর্শন হইতে পুনঃপঠিত হয়।’ প্রবন্ধে আলোচিত কোনো কোনো বিষয় ‘স্বদেশী সমাজ’ প্রবন্ধের পরিশিষ্ট’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ পরিস্ফুট করিবার চেষ্টা পুনর্বার করেন, ইহার কারণ সম্পর্কে উক্ত প্রবন্ধের সূচনায় যাহা বলেন, তাহা ‘সমূহ’ বা বর্তমান গ্রন্থ হইতে বর্জিত হওয়ায়, পরিশিষ্টে যথাস্থানে (পৃ ১১৭) সংকলিত হইয়াছে।
‘স্বদেশী সমাজ’ ও ‘স্বদেশী সমাজ’ প্রবন্ধের পরিশিষ্ট’ উভয়ই প্রথমে ‘আত্মশক্তি’ (১৩১২) গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং পরে ‘সমূহ’ (১৩১৫) গ্রন্থে সংকলিত হয়। আত্মশক্তি গ্রন্থ রবীন্দ্র-রচনাবলীর তৃতীয় খণ্ডে পুনর্মুদ্রিত।
‘সমূহ’-গ্রন্থানুযায়ী প্রবন্ধ দুইটি বর্তমান গ্রন্থে মুদ্রিত। প্রবন্ধদ্বয়ের
১২১