স্বদেশী সমাজ
নির্বাচনের মত-দান পরস্পরের অগোচরে সমাধা হইবে।
নির্বাচনের অধিকার ছাত্র-সামাজিকগণ প্রাপ্ত হইবেন না।
সমাজের মধ্যে পঞ্চবিংশতির অধিক ব্যক্তি এই নির্বাচনের অধিকার প্রাপ্ত হইবেন না।
সমাজের অধিকাংশের সম্মতিক্রমে এই পঞ্চবিংশতিজন নির্বাচনের অধিকার লাভ করিবেন।
যে-কোনো সামাজিককে অধিনায়ক এই অধিকার হইতে বঞ্চিত করিতে পারিবেন।
পাচজনের অধিক মন্ত্রী ও দশের অধিক কর্মী থাকিবে না। মাসে অন্তত একবার ও দুই মাস অন্তর সাধারণ সভার অধিবেশন হইবে।
কর্মিসভার বিশেষ বিশেষ সমিতি কর্মানুসারে আবশ্যকমত তাঁহাদের সভা আহ্বান করিবেন।
সামাজিকগণ অথবা অন্য কেহ নিজের বা সমাজের কর্তব্য সম্বন্ধে কোনো প্রশ্ন বা প্রস্তাব উত্থাপিত করিলে অধিনায়ক মন্ত্রিগণসহ বিচার করিয়া তাহার মীমাংসা করিয়া দিবেন। আলোচ্য বিষয়ের গুরুত্ব-অনুসারে তাঁহারা বিশেষ ব্যক্তিগণ বা সামাজিক সাধারণকে আহ্বান করিতে পারিবেন।
এই-সকল কার্য ব্যতীত সামাজিকগণ পার্বণ-উপলক্ষে উৎসবসভায় মিলিত হইবেন।
সমাজবর্তী প্রত্যেককেই নিজের আয়ের নির্দিষ্ট অংশ করস্বরূপ সমাজকে দিতে হইবে।
ত্রিশ টাকা পর্যন্ত দুই আনা, পঞ্চাশ টাকায় চার আনা, এক শ টাকা হইতে হাজার টাকা পর্যন্ত শতকরা এক টাকা ও তদূর্ধ্বে শতকরা দেড় টাকা কর দিতে হইবে।
৬২