কথোপকথন হইয়াছিল তাহাদের কিছু কিছু অংশ এখনও মনে পড়িতেছে।
“কোন জাতই, তা যবনই (Greek) হউন বা অন্য কোন জাতিই হউন, কোন কালে জাপানীদের ন্যায় স্বদেশপ্রেমের পরাকাষ্ঠা দেখাইয়া যান নাই। তাঁহারা কথা লইয়া থাকেন না, তাঁহারা কাজে করেন—দেশের জন্য সর্ব্বস্ব বিসর্জ্জন দেন। আজকাল জাপানে এমন সব জমিদার আছেন যাঁহারা সাম্রাজ্যের একত্ব-বিধানকল্পে বিনা বাক্যব্যয়ে তাঁহাদের জমিদারী ছাড়িয়া দিয়া কৃষিজীবী হইয়াছেন।[১] আর জাপানযুদ্ধে একটিও বিশ্বাসঘাতক পাওয়া যায় নাই। একবার সেটা ভাবিয়া দেখ!”
আবার কতকগুলি লোক ভাবপ্রকাশে অক্ষম—এই কথা-প্রসঙ্গে বলিলেন, “আমি বরাবর লক্ষ্য করিয়াছি যে, লাজুক ও চাপা লোকেরা উত্তেজিত হইলে সবচেয়ে বেশী আসুরিকভাবাপন্ন হইয়া থাকে।”
আর একবার, সন্ন্যাসজীবনের ও ব্রহ্মচর্য্যের বিধিনিদেশ-প্রসঙ্গে স্পষ্টই বলিয়াছিলেন, “যম্মাদ্ভিক্ষুর্হিরণ্যং রমেন গ্রাহ্যং চ স আত্মহা ভবেৎ”—যে সন্ন্যাসী সকামভাবে সুবর্ণ গ্রহণ করে, সে আত্মঘাতী ইত্যাদি।
২৪শে জুলাই। অন্ধকারময়ী রাত্রি এবং অরণ্যানী, দ্রুমরাজিতলে এক বৃহৎ সরল (pine) কাষ্ঠের অগ্নিকুণ্ড, দুই তিনটি তাঁবু
- ↑ আমার মনে হয়, ইহা একটী ভ্রন। জাপানী সামুরাইগণ তাঁহাদের জমিদারী ছাড়িয়া দেন নাই, তাঁহাদের রাজনৈতিক বিশেষ বিশেষ অধিকারগুলি ছাড়িয়া দিয়াছিলেন মাত্র।—নিবেদিত।
১১০