বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১০০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

জেলা হইতে একদল অশ্বারোহী দস্যুদল তেঙ্গরিনোর হ্রদের দিক হইতে লুঠতরাজ করিয়া এদিকে আসিতেছে। তাহাদের সঙ্গে ১০০ শত টাট্টু ঘোড়া, ৩০০ শত চমরী গোরু, ৫,০০০ হাজার ভেড়া ও ছাগল রহিয়াছে। আমরা এই দুর্দ্দান্ত পার্ব্বতীয় দস্যুদের হাত হইতে আত্মরক্ষা করিবার জন্য তাহাদের নির্দ্দিষ্ট গন্তব্য পথ হইতে দূরে থাকিবার জন্য তাড়াতাড়ি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হইলাম। প্রায় দুই মাইল পথ অতি দ্রুত চলিয়া আমরা একটি মোঙ্গোলিয় বাণিজ্যযাত্রঈ দলের কাছে আসিলাম। আমরা পূর্ব্বে এই দলের সহযাত্রী ছিলাম। ইহারা পশুচারণের জন্য পশ্চাতে পড়িয়াছিলেন। দস্যুদল চলিয়া গেলে পর পুনরায় বেলা চারিটার সময় আমাদের যাত্রা শুরু হইল। প্রায়  / মাইল পথ চলিয়া সোজা পথ পরিলাম। সে পথেও প্রায়  / মাইল চলিয়া আমরা একটী পাহাড়ের পায়ের তলায় আসিলাম। এখান হইতে প্রায় ৪০ মাইল দূরে বোরাটিং ৯৮ / তে সুতোদাম পারাবজ্ নামে একটি তুষারাবৃত পর্ব্বতশৃঙ্গ দেখিতে পাইলাম।

 ৪ঠা অক্টোবর। প্রায় পাঁচ মাইল পথ চলিয়া একটি নদী পার হইলাম। নদীটির গভীরতা  / ফিট, চওড়া মাত্র ১২ পা। উত্তর-পশ্চিম দিক হইতে বহিয়া আসিয়াছে।  / মাইল দূরে আমরা ত্যাৎস্যং গিরিবর্ত্ম পার হইলাম। এই গিরিবর্ত্মটী

৮২