বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১০২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

বাস করে। কিন্তু উত্তর ও পশ্চিম প্রদেশে এক অসভ্য ও বর্ব্বর জাতীয় লোকের বাস। ইহারা কাপড় পরিতে জানে না! পশু-চর্ম্ম পরিধান করে। এই বন্য মানুষেরা বন্যপশু শিকার করিয়া তাহারই কাঁচা মাংস খায় এবং তাহারই চর্ম্ম পরিধান করে। সময় সময় আগুনে মাংস একটু মাত্র ঝলসাইয়া পরম তৃপ্তির সহিত ভোজন করিয়া থাকে। তাহারা শাক্‌সব্জী খায় না। রাঁধা জিনিষ খাইতে দিলেও খায় না, উহা খাইলে তাহারা অসুস্থ হইয়া পড়ে। ইহাদের আকৃতি অতি ভীষণ। এই অসভ্যেরা চামড়ার তৈরি তাঁবুতে বাস করে।

 দাম এবং জাগরা জেলার লোকেরা মোটামুটি মাংস ও সাত্তু খাইয়া জীবন ধারণ করে। এ অঞ্চলে গাছপালা কিছুই জন্মে না। চমরী গোরুর এবং বন্য পশুর শুষ্ক পুরীষই হইতেছে এখানকার একমাত্র অগ্নি জ্বালাইবার উপাদান। ঘাস এখানে প্রচুর মিলে। এই দেশের উত্তর দিকে জনমানবের বসতি নাই। এমন কি অতি বড় বর্ব্বর জাতীয় লোকেরাও সেখানে বাস করে না। স্ফুটনাঙ্ক দ্বারা গণনা করিয়া দেখিলাম এখানকার উচ্চতা হইতেছে ১৬,৩৮০ ফিট।

 এখানে অনেক বন্যজন্তুর বাস। তাহাদের মধ্যে ডোং, বন্য চমরী গোরু, একো-বন্য মৃগ। গোয়া-স্যামোয়ের আকৃতিবিশিষ্ট হরিণ, বন্য ছাগল, নেন্ বা বন্য পার্ব্বত্য ভেড়া, সিয়াঙ্ক

৮৪