বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১০৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

দূর পর্য্যন্ত অনুসরণ করিল, কিন্তু তাহারা আমাদের সতর্কতার জন্য কৃতকার্য্য হইতে পারিল না। তারপর তাহারা ব্যর্থমনোরথ হইয়া অন্য দিকে চলিয়া গেল।

 আমরা প্রায় পনেরো মাইল পথ চলিয়া একটি হ্রদের কাছে আসিলাম। হ্রদটির বেড় হইবে প্রায় ৭ মাইল। আমরা হ্রদের কাছ দিয়াই চলিলাম। হ্রদের বুকে সুন্দর স্বচ্ছ নীল জল, ঢল ঢল করিতেছে। হ্রদের নিকট হইতে আমাদের প্রায় দুই মাইল অন্তর দিয়া  / মাইল পথের পর একটি গিরিপথ উত্তীর্ণ হইতে হইল। এ পর্য্যন্ত অনেকটা সমতল পথ দিয়া চলিতেছিলাম, ক্রমে পথটি উচ্চ হইতে হইতে দিব্য অল্প একটু ‘চড়াই’য়ে পরিণত হইল। একটু উঠিয়াই অপর একটি গিরিবর্ত্ম পার হইলাম। এইবার কিন্‌হাপচিগা নামক স্থানে আসিলাম। আমরা এখানে রাত্রির জন্য আশ্রয় গ্রহণ করিলাম।

 পরদিন সূর্য্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রা করিলাম। ১০ই তারিখ ১৪ / মাইল পথ হাঁটিয়া সেদিনের মত বিশ্রামের ব্যবস্থা করিলাম। এখানকার দৃশ্য ছিল পরম রমণীয়। মাত্র চব্বিশ মাইল দূরে দুইটি চিরতুষারাবৃত গিরিশৃঙ্গ অপূর্ব্ব সৌন্দর্য্য বুকে লইয়া দাঁড়াইয়াছিল। কি সুন্দর দৃশ্য! আকাশ ছিল নির্ম্মল নীল। চারিদিকের বিস্তৃত সৌন্দর্য্যের মধ্যে এখানকার গিরিশৃঙ্গগুলি আমাদিগকে আকর্ষণ করিতেছিল।

৮৬