পণ্ডিত কিষণ সিংহ
কিছুই নাই। তবে একপ্রকার ঘাস জন্মে। চমরী গোরুর পুরীষই একমাত্র জ্বালানী কাঠের কাজ করে।
১৩ই অক্টোবর। আজ উলাঙ্গমিরস্ নামে একটি বড় নদী পার হইলাম। এখানে নদী প্রায় ১,২০০ হাত প্রশস্ত হইবে। গভীরতাও ৩১২ ফিটের ন্যূন নহে। উচ্চতাও হইবে ১৪,৬৪০ ফিট্ এখান হইতে আমরা কাগ্চিনার নামক স্থানে আসিয়া তাঁবু খাটাইলাম। এখানে অনেকগুলি সুমিষ্ট জলপূর্ণ কুণ্ড পাইলাম। আজ আমাদের পথটি ছিল অতি সুন্দর। দুই দিকে পর্ব্বতশ্রেণী দেয়ালের মত বহিয়া চলিয়াছে, আর সমতল ভূমির মধ্য দিয়া প্রশস্ত পথ।
১৪ই অক্টোবর। ১০১২ মাইল পথ চলিয়া আমরা চ্যাচু নামক লবণের নদীর কাছে আসিলাম। এই নদীটি উত্তর-পশ্চিম দিক্ হইতে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত। আমরা এই পথে চলিতে চলিতে ৫১২ মাইল দূরে পুনরায় চ্যাচু নদী পার হইলাম। জল একেবারে লবণাক্ত, মুখে দেওয়া যায় না।
নদীটি ১০ পায়ের বেশী চওড়া নয়, গভীরতাও তিন ফুটের অধিক নহে। এই নদীটি দুঙ্গাবুড়া পর্ব্বতশ্রেণী হইতে বহিয়া আসিয়াছে। এখান হইতে ১৭ মাইল দূরে একটা তুষারাবৃত-গিরিশৃঙ্গ দেখিতে পাওয়া যায়। আমরা এই পথে আরও ৪১২ মাইল অগ্রসর হইয়া দুঙ্গাবুড়া পাহাড়ের নীচে বিশ্রাম
৮৯