হিমালয়-অভিযান
২৮শে অক্টোবর। আমরা ১১৪ মাইল চলিয়া নৈচি নামক স্থানে আসিলাম। এখানে যাযাবরদের দশটি তাঁবু দেখিলাম। জাগরা হইতে নৈচি পর্য্যন্ত সারা দেশটায় কোথাও কোন লোকজনের বসতি নাই। মোঙ্গোলিয়দের তাঁবুর গড়ন একটু বিচিত্র রকমের।
তাঁবুগুলির মাঝটা একটা গম্বুজের মত দেখায়, কাঠের কাঠামোর উপর তাঁবুগুলি সাজানো হইয়া থাকে। এই কাঠামো নানা ভাগে বিভক্ত থাকে। তাঁবুর ভিতরে একটি কামরা প্রস্তুত হয়। তাঁবু খুলিয়া ফেলিবার পর সেই কাঠামোর কাঠগুলি যখন সাজানো হয় তখন এক বোঝা লাঠির মত দেখায়। তাঁবুর উপরের দিকে মাঝখানটায় খানিকটা খোলা থাকে, সেই খোলা পথ দিয়া রান্না-বান্নার ধোঁয়া বাহির হইয়া যায়। তাঁবুর কাপড় এক রকমের কর্কশ পশমী জাতীয়। সেই কাপড়কে দ্বিংজ বা পিংজ বলে। তাঁবুর কাপড় কাঠের কাঠামোর সঙ্গে এমন শক্ত করিয়া বাঁধা থাকে যে উহা কোনরূপেই খুলিয়া যায় না।
সব তাঁবুতেই বেশী কামরা থাকে না। যাহাদের অবস্থা বেশ ভাল তাহারাই তাঁবুর ভিতরটা কয়েকটা কামরায় ভাগ করিয়া নেয়। তাঁবুর ভিতরে প্রবেশ করিবারও মাত্র একটি দরজা বা কপাট। কাঠের তৈয়ারী অর্থাৎ টুকরা টুকরা কাঠের
৯৪