পণ্ডিত কিষণ সিংহ
ফালি দড়ি দিয়া বাঁধা থাকে। মোঙ্গোলীয়রা তাঁবুর ভিতরেই রান্না-বান্না করে। পুরুষ ও স্ত্রীলোক ছোট ছোট ছেলেমেয়ে সহ সব এক সঙ্গে থাকে। মাঝারি রকমের একটি তাঁবু তৈরি করিতে মাত্র বারো টাকা খরচ পড়ে।
নৈচি উপত্যকা
এইবার নৈচি উপত্যকার কথা বলিতেছি। এই স্থানটি ত্যাচিনারি জেলার একটী মহকুমা। এই উপত্যকাটির দৈর্ঘ্য হইবে প্রায় পঞ্চাশ মাইল, চওড়া মাত্র তিন মাইল। চারিদিক বেড়িয়াই ছোট ছোট পাহাড়। কোন পাহাড়ের শৃঙ্গই বরফে ঢাকা নহে। এখানে বরফ পড়িলেও বরফ জমিয়া থাকে না, গলিয়া যায়। এই উপত্যকার মধ্য দিয়া নৈচি নদী বহিয়া চলিতেছে। এই নদীর শাখা বড় বেশী নাই। অনেকগুলি উৎস হইতে এবং ঝরণা হইতে ইহার জল আসে। জমি অধিকাংশই সমতল, তবে নদীর প্রবাহের দরুন কোথাও কোথাও অসমতল এবং বন্ধুর। তাহার কারণ নদীর স্রোতের জন্য পাহাড়ের মাটী কাটিয়া ঐরূপ হইয়াছে। এই সুন্দর উপত্যকাটি শ্যামল শস্য-সম্ভারে পরিপূর্ণ। নানা প্রকার চাষবাস এখানে দেখিলাম। চমরী গোরু, ভেড়া, মোঙ্গোলিও ছাগল,
৯৫