বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১১৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

চলিলে পর পথটী ক্রমশঃ সরু হইয়া চলিল, এই পথের দুই দিকে দেওয়ালের মত পাহাড়ের সারি চলিয়াছে—এই পাহাড়ের মধ্যস্থিত গিরিপথ দিয়া চলিতে চলিতে মাঝে মাঝে যখন পাহাড় ছাড়া খোলা জায়গায় আসিয়া পৌঁছিতাম তখন দেখা যাইত বহুদূর বিস্তৃত মরুভূমি পড়িয়া আছে। এই মরুভূমি উত্তরে এবং পশ্চিমে অনেক দূর চলিয়া গিয়াছে—কোথায় তাহার শেষ তাহা আমরা বলিতে পারিব না। পূর্ব্বদিকেও মরুভূমি রহিয়াছে কিন্তু তাহা তেমন বিস্তৃত নয় বলিয়া মনে হইল। আমরা সন্ধ্যা হইবার একটু আগে নৈচি নদীর দক্ষিণ তীরে তাঁবু ফেলিলাম। রাত্রিটা এই বিজন মরুদেশের সীমান্তে কাটাইয়া দিব বলিয়াই স্থির করিলাম। আমাদের সঙ্গের পশুগুলির অবস্থা অতি শোচনীয় হইয়া পড়িয়াছিল। তাহাদের খাইবার কিছুই ছিল না। পূর্ব্বে পথে যে গাছের উল্লেখ করিয়াছি সেই গাছের পাতা কিছু কিছু খাইয়া তাহারা প্রাণ বাঁচাইয়াছিল বটে কিন্তু এখানে সেই গাছেরও অভাব।

হ্রদের দেশে

 ১০ই নভেম্বর। আজ প্রায় সাড়ে ছয় মাইল পথ চলিয়া আমরা একটি বিস্তৃত প্রান্তরে আসিয়া পড়িলাম। প্রান্তরটি আমাদের

১০০