বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১২৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

ছিল। এখানের আশেপাশে কোনও নদী বা ঝর্ণা না থাকায় স্থানীয় লোকেরা কূপের জল ব্যবহার করে। কূপগুলি তেমন গভীর নয়—অল্প একটু মাটি খুঁড়িলেই জল পাওয়া যায়। দুইটী ঘোড়া মারা যাওয়ায় আমাদের এখানে দুইদিন বাধ্য হইয়াই থাকিতে হইয়াছিল।

 আমরা ২৫শে নভেম্বর, দালা নামক স্থানে আসিলাম। এস্থানে চমৎকার প্রস্রবণের জল পাওয়া গেল। এখান হইতে আরও দশ মাইল পথ চলিয়া চুগু নামক স্থানে আসিলাম। এখানে একটী নদী বহিয়া চলিয়াছে। নদীটি উত্তরে মরুভূমির দিকে প্রবাহিত হইয়া আপনার স্রোতোধারা মরুভূমির বুকে মিলাইয়া দিয়াছে। চুগুতে রাত্রিটা কাটানো গেল। পরদিন আবার যাত্রা সুরু হইল—পথে কোনও প্রস্রবণ বা নদী দেখিতে পাইলাম না। অনেক দূরে কতকগুলি শিবির দেখা গেল—ঐগুলি বর্ব্বর যাযাবরদের বলিয়া অনুমান করিলাম। ইহারা নদী বা প্রস্রবণের আশে-পাশে ছাড়া কোথাও শিবির স্থাপন করে না। পরের দিন প্রায় বারো মাইল পথ চলিয়া আমরা ধানাহোথো নামক একটী স্থানে আসিলাম। এখানে যাযাবরদের বাস করিবার মাত্র দুইটী শিবির দেখা গেল।

 ২৭শে নভেম্বর। আমরা প্রায় চার মাইল পথ চলিবার পর একটী নদী পার হইলাম। নদীটী দক্ষিণ দিক হইতে আসিয়াছে।

১০৬