পণ্ডিত কিষণ সিংহ
আরও কিছুদূর যাইবার পরে কতকগুলি ঝর্ণা পাইলাম। এই ঝর্ণা গুলির জল যেমন স্বচ্ছ তেমনি সুপেয়। এই পথে আরও প্রায় সাড়ে পাঁচ মাইল পথ চলিবার পর আর একটী নদী পড়িল—এই নদীটি উত্তর পূর্ব্ব দিক হইতে বহিয়া আসিয়াছে। নদীর জল লবণাক্ত এবং নদীর পারে খণ্ড খণ্ড অনেক লবণের চাপ দেখিতে পাইলাম। এইরূপ লবণ এ-দেশের লোকেরা ব্যবহার করে। আমি এ-স্থানের আশে-পাশে কোনও লবণের পাহাড় বা খনির কথা শুনি নাই। আরও সওয়া তিন মাইল পথ চলিয়া আমরা তেনগিলিক নামক একটী স্থানে আসিলাম। এই স্থানটী দুইটী নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত। একটী নদীর কথা পূর্ব্বে বলিয়াছি—সেই নদীটি দক্ষিণ-পূর্ব্ব দিক হইতে বহিয়া আসিয়াছে। অপর নদীটীর নাম বলিতে পারিলাম না। এই জায়গাটী দেখিতে বড়ই সুন্দর। দশটি কাঁচা বাড়ী এবং একশতটী তাঁবু দেখিতে পাইলাম। এখানে শস্যক্ষেত্রও আছে। প্রতি বৎসর বার্লির চাষ হয়। এখানকার উচ্চতা সাত হাজার সাত শত কুড়ি ফিট হইবে। বাইগোল নদী পূর্ব্ব দিক হইতে প্রবাহিত হইয়া তেনগিলিক্ নামক সমতল ক্ষেত্রের মধ্য দিয়া উত্তর দিকে চলিয়া আসিতেছে। তারপরে উহা মরুভূমির বালুকারাশির মধ্যে বিলীন হইয়া গিয়াছে। নৈচিতে যে মোঙ্গোলীয় যাত্রীদল আমাদিগকে ফেলিয়া আসিয়াছিল এখানে
১০৭