বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১২৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

তাহাদের সাক্ষাৎ পাইলাম। এই বণিকদল এ-অঞ্চলের অধিবাসী। অল্পদূরেই ইহাদের বাড়ী, কাজেই ইহারা আমাদের নিকট হইতে বিদায় লইয়া স্ব-স্ব গৃহাভিমুখে চলিয়া গেল। কেবল মাত্র দুইজন তিব্বতীয় আমাদের কাছে রহিল। আমরা কয়েকদিন এইস্থানে থাকিব বলিয়া স্থির করিলাম কেননা সঙ্গের পশুগুলি অত্যন্ত ক্লান্ত হইয়া পড়িয়াছিল। তারপর আমাদের রসদের মধ্যে সাত্তু একেবারেই ফুরাইয়া গিয়াছিল। আমরা মোঙ্গোলিয়ায় কোন জল-যন্ত্র দেখিতে পাইলাম না, কিন্তু ছোট ছোট হস্তচালিত যন্ত্র দেখিতে পাইলাম। সেগুলি হোইদুথার নামক স্থান হইতে আনীত হাল্কা রকমের লাল পাথরের দ্বারা তৈরি।

 আমাদের এখানে আসিবার দুই দিন পরে কয়েকজন পরিচিত কাফিলা বন্ধু আমাদিগকে বলিলেন যে এখান হইতে এক দুপুরের পথ দূরে দক্ষিণ দিকের পাহাড়গুলিতে বেশ ভাল শিকার মিলে। অনেক রকমের বন্য পশু পাওয়া যায়। তাহাদের মাংস খাইতেও যেমন সুস্বাদু তেমনই তাহাদের গায়ের চামড়াও অত্যন্ত মূল্যবান। আমরা চার পাঁচ দিন দল বাঁধিয়া বেশ মনের আনন্দে শিকার করিলাম। সৌভাগ্যক্রমে শিকারও বেশ ভাল মিলিয়াছিল। কয়েকটী চমরী গোরু এবং বন্য গাধা আমরা শিকার করিয়াছিলাম। শিকারে বেশ আনন্দ পাইয়াছিলাম।

১০৮