বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১৩৫

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

পণ্ডিত কিষণ সিংহ

এই দ্বীপের মধ্যে একটি গোম্ফা আছে। সেই গোম্ফার মধ্যে প্রায় কুড়িজন সন্ন্যাসী বাস করেন। ঐ দ্বীপের ভিতর একটি আশ্চর্য্য ব্যাপার এই যে সেখানে সুমিষ্ট জলের একটি প্রস্রবণ রহিয়াছে। সেজন্য আশ্রমবাসীদের পানীয় জলের কোনও অসুবিধা হয় না। এই আশ্রমের অধিবাসীরা শীতের চারি মাস বাহির হইতে খাদ্য দ্রব্যাদি সংগ্রহ করিয়া আনেন। সে সময়ে হ্রদের জল একেবারে বরফে পরিণত হয় সেজন্যই তাঁহারা তীরে যাতায়াত করিতে পারেন। এই হ্রদে প্রচুর মাছ আছে, সেই মাছ ধরিয়া মোঙ্গোলিয় জেলেরা নিকটবর্ত্তী স্থানে বিক্রয় করে। হ্রদের পারে প্রচুর পরিমাণে লবণ পাওয়া যায়। বণিকেরা এখান হইতে লবণ সংগ্রহ করিয়া দেশ-বিদেশে বিক্রয় করিয়া অনেক লাভ করে। হ্রদের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে কুকুমবাম নামে আর একটি বৃহৎ গোম্ফা আছে। সেই গোম্ফার কাছাকাছি একস্থানে প্রায় তিন হাজার মঠ আছে।

দস্যু-ডাকাতের দেশ

 মোঙ্গোলিয় বৌদ্ধদের নিকট এই স্থান একটি পবিত্র তীর্থস্থান রূপে পরিচিত। বৌদ্ধদের কাছে এই হ্রদটি এতদূর পবিত্র যে মোঙ্গোলিয়রা এই হ্রদের চারি পার প্রদক্ষিণ করা অত্যন্ত পুণ্যের কাজ বলিয়া মনে করে। হ্রদের দক্ষিণ তীরে বহু

১১৭