হিমালয়-অভিযান
থাকায় অধিবাসীদের লবণের জন্য ভাবিতে হয় না। দুইটি হ্রদও এখানে দেখিলাম, একটি উত্তর-পূর্ব্ব দিকে আর একটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে। দুইটির আকারই একরূপ। চার মাইল দৈর্ঘ্য এবং আড়াই মাইল প্রস্থ। হ্রদ দুইটিতে প্রচুর পরিমাণে মৎস্য আছে। এখানে ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত প্রায় তিনশতটি তাঁবু রহিয়াছে। শীতের সময় উহাদের সংখ্যা হ্রাস পায়। তখন পঞ্চাশটির বেশী তাঁবু এখানে থাকে না। শীতকালে এখানকার লোকেরা ত্রিশ মাইল দূরবর্ত্তী একটি পার্ব্বত্য উপত্যকায় গমন করিয়া আশ্রয় গ্রহণ করে। সেই উপত্যকাটি উর্ব্বর এবং শ্যামল-তরুলতা-গুল্ম পরিশোভিত বলিয়া খাওয়া দাওয়ার এবং পশুদের তৃণ পাইবার পক্ষে কোনও অসুবিধা হয় না।
বন্যজাতির দেশ
সিরথ্যাংয়ের উত্তর দিকে যে পর্ব্বতশ্রেণী দেখিতে পাওয়া যায় সেখানে অনেক বন্যজাতি বাস করে। তাহাদের গায়ের রং কাল, শরীর সুগঠিত এবং তাহাদিগকে দেখিলে মনে হয় না যে তাহাদের খাওয়া দাওয়া সম্পর্কে কোনরূপ অসুবিধা আছে। এই বন্যজাতীয় লোকেরা কাপড় পরে না। পশুর চামড়া পরে। ইহারা ঘরে কিংবা তাঁবুতে বাস করে না। পাহাড়ের গুহায় কিংবা গাছের নীচে অথবা বড় বড় শিলাস্তূপের আড়ালে বাস
১২০