হিমালয়-অভিযান
এখানকার লোকেরা একটি মজার গল্প বলে। একবার মোঙ্গোলিয় সৈন্যেরা লাশার রাজসরকারকে কয়েকটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিদ্রোহী রাজাদের বিরুদ্ধে সাহায্য করিবার জন্য যাইবার সময় এই পথে তাহাদের কতকগুলি উট ও ঘোড়া ছাড়া পড়িয়াছিল। এই সব বন্য উট ও ঘোড়া সেই সৈন্যবাহিনীর সঙ্গীয় উট ও ঘোড়ার বংশধর। এমন কি এ স্থানের মোঙ্গোলীয় অধিবাসীরাও আপনাদিগকে সেই সব সৈন্যদের বংশধর বলিয়া পরিচয় দিতে গর্ব্ব বোধ করে। এ-স্থানের বন্যপশু শিকার করিবার জন্য অনেকে এখানে আসিয়া থাকেন কেন-না ঐ সব জন্তুর চামড়া এবং মাংস দুই-ই কাজে লাগে। ঘোড়া শিকার বড় একটা হয় না ইহার কারণ এই যে ঘোড়ার মাংস কিংবা চামড়া শিকারীদের কাজে লাগে না।
মোঙ্গোলিয়ার এই অঞ্চলে বৎসরে তিন বারের বেশী বৃষ্টি হয় না। এদেশের আকাশের গায়ে বজ্র ও বিদ্যুতের খেলা দেখিতে পাওয়া যায় না। বরফও বেশী পড়ে না।
বিপদ-বরণ
এ অঞ্চলে ফেব্রুয়ারী মাস হইতে জুন মাস পর্য্যন্ত অনবরত, প্রায় প্রতিদিনই ধূলির ঝড় বহিয়া থাকে; সে সময়ে এই প্রদেশে বাস করা অসম্ভব হইয়া পড়ে। আমরা এখান হইতে জেম্বি আসিলাম। জেম্বিতে প্রায় তিন মাস ছিলাম। এখানে মাটির
১২২