কিন্থাপ
ভাষায় শুনাইতেছি—“আমি এখানে শুনিলাম যে আমাকে ধরিয়া নেওয়ার জন্য জোঙ্গপোন্ পঞ্চাশ জন লোক পাঠাইয়াছে! আমি এই মঠের লামাকে তিন বার নমস্কার করিয়া জোঙ্গপোনের কথা বলিলাম। লামা আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন—আমার বাপ-মা বাঁচিয়া আছে কিনা এবং আমি কোথায় যাইতেছি। আমি বলিলাম, তীর্থ করিবার উদ্দেশ্যে লাশা চলিয়াছি। আমার বাপ-মা কেহই বাঁচিয়া নাই। তারপর আমি লামার কাছে মিনতি জানাইলাম যে তিনি যেন আমাকে জোঙ্গপোনের লোকের কাছে প্রত্যর্পণ না করেন।
জোঙ্গপোনের লোকেরা আমার এই স্থানে আসিবার পাঁচ দিন পরে আমাকে লইবার জন্য আসিয়াছিল। কিন্তু লামা তাঁহাকে আমার মূল্য বাবদ পঞ্চাশ টাকা পাঠাইয়া দিলেন। কাজেই আর কোনও গোল হয় নাই। আমি সাড়ে চার মাস লামার কাছে ছিলাম। পরে তাঁহার নিকট হইতে এক মাসের ছুটি লইয়া তীর্থ দর্শনে অর্থাৎ নদীর উৎস সন্ধানে বাহির হইয়া পড়িলাম।”
কিন্থাপ আবার অন্য একটি বিহারে আসিলেন। এইখানে কাঠগুলি খণ্ড খণ্ড করিয়া কাটিয়া সাংপো নদীর জলে ফেলিয়া দিলেন। সেই কাঠের টুকরাগুলি ভাসিতে ভাসিতে আসামের পথে বাঙ্গালা দেশে আসিয়াছিল। কিন্তু সেইগুলির
১৩৯