বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১৫৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

দিকে কে লক্ষ্য করিবে? কাপ্তেন হারম্যান তখন মারা গিয়াছিলেন।

 কিন্‌থাপ এইবার লাশা গিয়াছিলেন। সেখান হইতে জরিপ বিভাগের কর্ত্তাদের নিকট পিস্তল এবং কম্পাস হারাইবার কথা লিখিয়া জানাইয়াছিলেন।

 লাশা হইতে কিন্‌থাপ মাপুং ফিরিয়া আসিয়া সেই ত্রাণকারী লামার কাছে কিছুদিন ছিলেন, তিনি তাঁহাকে মুক্তি দিলেন। যাত্রাপথে এই সাহসী অভিযানকারী দর্জির কাজ করিয়া নিজের খাদ্য সংস্থান করিয়াছিলেন। ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দে কিন্‌থাপ দার্জ্জিলিং ফিরিয়া আসিয়াছিলেন।

 কিন্‌থাপ ইংরাজী জানিতেন না ও লেখাপড়া বিশেষ কিছু জানিতেন না। মুখে মুখে তাঁহার ভ্রমণকাহিনী ও আবিষ্কারের কথা বলিয়া যাইতেন। কিন্‌থাপ তিন বৎসর কাল যে পাহাড়, পর্ব্বত ও উপত্যকা, বন-জঙ্গল দেখিয়া আসিয়াছিলেন সে-সব কথা সে সবিস্তারে বলিয়া যাইতেন। এবং অপরে তাহা লিখিয়া লইত। তাঁহার কথা ভৌগোলিকেরা প্রথম বিশ্বাস করিতেন না, এমন কি জরিপ বিভাগের কর্ত্তারাও তাঁহার বর্ণিত বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন। ১৯১১ সালে ভারতীয় জরিপ বিভাগ কিন্‌থাপের বৃত্তান্ত প্রকাশ করেন। তাঁহার এই অভিযানের কাহিনী জরিপ বিভাগের একজন কর্ম্মচারী ইংরাজীতে অনুবাদ

১৪০