বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১৬০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

সাংপো বা ব্রহ্মপুত্ত্র নদের জল প্রপাত

 সাংপো বা ব্রহ্মপুত্ত্র নদের প্রপাত সম্বন্ধে কিন্‌থাপের বর্ণনা যে কতদূর সত্য সে-সম্বন্ধে ক্যাপ্টেন মুরশেদ স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করিয়া যাহা লিখিয়াছেন ও কিন্‌থাপ সাংপোর জলপ্রপাতের সম্বন্ধে যে কথা বলিয়াছেন তাহাতে সামান্য কিছু ভুল থাকিলেও তাঁহার বর্ণিত বিবরণ সত্য। প্রায় চারি বৎসর কাল ভ্রমণ করিয়া কিন্‌থাপ অন্যের কাছে যে বর্ণনা দিয়াছিলেন তাহাতে অনুবাদক এক স্থানের নাম অন্য স্থানের সহিত গোলমাল করিয়া ঐরূপ গোলযোগের সৃষ্টি করিয়াছিলেন।

 মিঃ বেলী এবং মিঃ মুরশেদ নামক জরিপ বিভাগের দুইজন কর্ম্মচারী সাংপোর গতিপথ অবলম্বন করিয়া মাত্র দশ মাইল পথের বেশী অগ্রসর হইতে পারেন নাই। কাজেই ঐ ভূভাগকে অনাবিষ্কৃত দেশ বলিতে পারা যায়। এই পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে ব্রহ্মপুত্ত্র নদের কয়েকটি জলপ্রপাত রহিয়াছে। এই জলপ্রপাত কয়টির জন্যই ব্রহ্মপুত্ত্র অতি সহজে নীচের দিকে নামিয়া আসিতে পারিয়াছে।

 ১৯২৬ খ্রীষ্টাব্দে কিংডেনওয়ার্ড এবং লর্ড ক্রুড্ নামে দুইজন অভিযানকারী সাংপোর অনাবিষ্কৃত প্রদেশসমূহ আবিষ্কারের জন্য যাত্রা করেন। তাঁহাদের বিশেষ লক্ষ্য ছিল, কিন্‌থাপের

১৪২