কিন্থাপ
বর্ণিত জলপ্রপাত সত্যসত্যই আছে কি না তাহার সন্ধান করা।
পেমাকোচুংয়ের পর কোন পথ ছিল না। এজন্য তাঁহাদিগকে পথ তৈরি করিয়া চলিতে হইয়াছিল। সে-পথ ছিল অতি ভীষণ। দুই দিকে উচ্চ পর্ব্বতশ্রেণী। সেই পর্ব্বতশ্রেণীর মধ্য দিয়া সাংপো নদী ভীষণ গর্জ্জন করিতে করিতে উন্মত্ত জলধারা বুকে লইয়া বহিয়া চলিয়াছে। তাঁহারা যে সংকীর্ণ গিরিপথ দিয়া অগ্রসর হইতেছিলেন, তাহার প্রায় ১০০০ ফিট নীচ দিয়া সাংপো নদী কল-প্রবাহে বহিয়া যাইতেছিল। এই পথে যাইতে যাইতে তাঁহারা দেখিতে পাইলেন কোথায় যেন পাহাড়ের বুকে সাংপো আপনাকে লুকাইয়া রাখিয়াছে। সেদিকে অনুসন্ধান করিতে যাইয়া তাঁহারা দেখিতে পাইলেন একটি অতি সুন্দর জলপ্রপাত। এই জলপ্রপাতটি পেমাকোচুংয়ের কাছাকাছি। এই জলপ্রপাতটি ত্রিশ ফিটের বেশী উঁচু নহে। কিন্তু জলপ্রপাতের শোভা অতি চমৎকার। জল-প্রবাহের উপর সূর্য্যের কিরণ প্রতিফলিত হইয়া প্রপাতের বুকে শত শত রামধনুর সৃষ্টি হইয়াছে। সত্য সত্যই মেঘমুক্ত দিনে সূর্য্যের কিরণে এই জলপ্রপাতের বুকে শত শত ইন্দ্রধনুর সৃষ্টি হয়। কিন্থাপ ১৫০ ফিট উচ্চ যে জলপ্রপাতের কথা বলিয়াছিলেন সেইটির নাম হইতেছে সিংচি-চোগি। এই জলপ্রপাতটি ত্রালা
১৪৩