হিমালয়-অভিযান
স্থানীয় বিবিধ প্রয়োজনীয় সংবাদ সংগ্রহ করিতে পারিয়াছিলেন। এ সময়েই লালা স্থানীয় বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার তাসিলুনপো সম্বন্ধে অনেক প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করিতে সক্ষম হন। পাঁচ মাস পরে একদল বণিক আশ্বিন মাসে সিগাৎসি আসিলে পর লালা সেখান হইতে মুক্তি লাভ করেন এবং পুনরায় যাত্রাপথে অগ্রসর হইতে পারিয়াছিলেন।
১৮৭৫ খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে লালা সিগাৎসি পরিত্যাগ করেন। সেখান হইতে সাংপো নদীর তীরে অবস্থিত জাগ্সা নামক গ্রামে আসেন। এখানে একটি লোহার পুল আছে। এই লোহার সেতুটি পার হইলে দেখা যায় যে দুই দিকে দুইটি পথ গিয়াছে। একটি চলিয়াছে লাশার দিকে অপরটী চলিয়াছে চকসামচোরি নামক স্থানে। এই স্থানে সাংপো নদীর স্রোতোধার নানাভাবে বিভক্ত হইয়া গভীর গর্জ্জন করিতে করিতে বহিয়া চলিয়াছে।
জাগ্সা হইতে লালা দক্ষিণ পূর্ব্বাভিমুখে যাইয়া ইয়া-সিক নামক একটি হ্রদের কাছে আসেন। এই হ্রদটির সম্পর্কে তিনি অনেক নূতন কথা বলিয়াছেন। লালা বলেন যে এই হ্রদটির মধ্যে একটি ছোট দ্বীপ আছে। সেই দ্বীপের সহিত মূল ভূভাগের একটি সংযোজক সেতু রহিয়াছে। সেই পথে লোকজন যাতায়াত করে এবং পশুরাও বিচরণ করিয়া থাকে। এখানে চারিদিকে
১৪৮