তিব্বতে বাঙ্গালী—শরৎচন্দ্র দাশ
বাঙ্গালী তিব্বত-যাত্রীদের মধ্যে শরৎচন্দ্র দাশের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শরৎচন্দ্র দাশ ১৮৭৯ খ্রীষ্টাব্দে এভারেষ্ট গিরিশৃঙ্গের প্রায় কাছাকাছি গিয়া পৌঁছিয়াছিলেন। তিনি তিব্বতীয় ধর্ম্ম, সাহিত্য, সমাজ ও রাজনীতি এবং নৈতিক নিষ্ঠা-পদ্ধতি এবং ভাষাতত্ত্ব সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করিবার জন্য তিব্বতে গমন করেন। তাঁহার লিখিত লাশা ও মধ্য তিব্বতের বিবরণ বেশ চিত্তাকর্ষক গ্রন্থ।
১৮৪৯ খ্রীষ্টাব্দে চট্টগ্রাম জেলার চক্রশালার অন্তর্গত আলমপুর নামক গ্রামে বৈদ্যবংশে শরৎচন্দ্র জন্মগ্রহণ করেন। কলিকাতা প্রেসিডেন্সী কলেজে পড়িবার সময় তিনি স্যার অ্যালফ্রেড ক্রফ্টের (Sir Alfred Croft) প্রীতি ও অনুগ্রহ লাভ করেন। সে সময় হইতেই শরৎচন্দ্র বরাবর ক্রফট্ সাহেবের নিকট হইতে নানা বিষয়ে সাহায্য ও উৎসাহ পাইয়া আসিয়াছেন। ক্রফট্ সাহেবের চেষ্টা ও যত্নেই শরৎচন্দ্রের তিব্বত-যাত্রাও সম্ভবপর হইয়াছিল।
১৮৭৪ সালে তিনি দার্জ্জিলিংএর তিব্বতীয় বোর্ডিং স্কুলের প্রধান শিক্ষকের পদে নিযুক্ত হন। দাশ মহাশয় তখন প্রেসিডেন্সী কলেজের পূর্ত্ত বিভাগের একজন ছাত্র ছিলেন। তদানীন্তন ছোট
১৫২