তিব্বতে বাঙ্গালী—শরৎচন্দ্র দাশ
লাট স্যার জর্জ্জ ক্যাম্পবেল সাহেব সেই বৎসরেই প্রথম ঐ বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠা করেন। তিব্বতীয় বোর্ডিং স্কুলের প্রধান শিক্ষকের পদ লাভ করিয়া শরৎচন্দ্র তিব্বতীয় ভাষা শিখিবার জন্য প্রভূত যত্ন ও পরিশ্রম করিতে লাগিলেন।
এক বৎসর পরে তিনি স্বাধীন সিকিম রাজ্যের অন্তর্গত বৌদ্ধমঠ পরিদর্শনে গমন করেন। সেই সময়ে শরৎচন্দ্রের সহিত সিকিমের রাজা, রাজমন্ত্রী ও অন্যান্য প্রসিদ্ধ সিকিমবাসীদের ঘনিষ্ঠভাবে আলাপ ও পরিচয় হয়।
১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দে তিব্বতের অন্তর্গত পেমাইয়াংসি নামক মঠের উগায়েন-গিয়াংসু নামক একজন লামা তিব্বতীয় বোর্ডিং স্কুলে তিব্বতীয় ভাষা শিক্ষা দিবার জন্য শিক্ষকের পদে নিযুক্ত হইয়াছিলেন। পেমাইয়াংসি নামক মঠের সন্ন্যাসীরা বিবিধ উপঢৌকন সহকারে উগায়েনগিয়াৎসুকে তাসিলুনপো ও লাশা নগরীতে প্রেরণ করেন।
শরৎচন্দ্র এ সময়ে তিব্বত যাইবার জন্য ব্যাকুল হইয়াছিলেন। লামা উগায়েনগিয়াৎসুর তাসিলুনপো ও লাশা যাইবার সুযোগে তিনিও নিষিদ্ধ নগরী লাশায় গমন করিবার জন্য উৎসুক হইয়া পড়িয়াছিলেন এবং ব্রিটিশ সরকার ও তৎ সম্বন্ধে উপায় অন্বেষণ করিতেছিলেন। শরৎচন্দ্রের তিব্বত যাত্রার সাহায্যকল্পে লামা ইংরাজ সরকার কর্ত্তৃকও অনুরুদ্ধ হইয়াছিলেন। লামা
১৫৩