বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/১৭৭

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

তিব্বতে বাঙ্গালী—শরৎচন্দ্র দাশ

কিষণ সিং লাশা গমন করেন। নইনসিং লাশা ও তাহার আশেপাশের জমি জমার একটা জরিপও করেন।

 লাশা হইতে শরৎচন্দ্র ইয়ালুং আসেন। এই ইয়ালুং অধিত্যকায়ই তিব্বতীয়দের প্রথম সভ্যতার সূত্রপাত হয়। ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দের জানুয়ারী মাসে তিনি ভারতবর্ষে ফিরিয়া আসেন। এই যাত্রায় তিনি এক বৎসর দুই মাস কাল তিব্বতে ছিলেন।

 শরৎচন্দ্রের লিখিত নানা তথ্য সম্বলিত তিব্বত-ভ্রমণ বাঙ্গালা গভর্ণমেণ্ট দুইখানি বিবরণী পুস্তকে প্রকাশ করেন। একখানির নাম লাশা ভ্রমণের বিবরণ; অপরখানি হইতেছে পলতি হ্রদ, লোকা, ইয়ালুং এবং সেতিয়ার বিবরণী[] এবং গভর্ণমেণ্ট এই বিবরণী ১৮৯০ খ্রীষ্টাব্দ পর্য্যন্ত গোপনীয় দলিলপত্রের সামিল করিয়া অপ্রকাশিত রাখেন। পরে উহা হইতে তিব্বতীয় নৃতত্ত্ব, জাতিতত্ত্ব, ভাষা-পরিচয় ইত্যাদি সম্পর্কিত কিছু কিছু তথ্য বিলাতের ‘কনটেমপোরেরি রিভিউ’ নামক পত্রিকায় ছাপা হয়। উহার পাঁচ বৎসর পরে ‘নাইনটিনথ্ সেঞ্চুরি’ নামক বিখ্যাত পত্রিকায়ও উহার কিছু কিছু ছাপা হইয়াছিল।

 ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দে ভারতসরকার কয়েকজন লোককে পুনরায় তিব্বতে পাঠাইবার সঙ্কল্প করেন। সে সময়ে শরৎচন্দ্রেরও উক্ত


১৫৯

  1. Narrative of o Journey of Lhasa and Narrative of a Journey Round Lake Palti (yamdok), and in Lhoks, Yarlung and Satya.