হিমালয়-অভিযান
দিলাম। সন্ধ্যাবেলা প্রধান লামা আমাদিগকে তাঁহার আশ্রমে নিমন্ত্রণ করিলেন। গরম মাখন চা, প্রচুর সিদ্ধ গোল আলু, মূলা এবং শালগম ইত্যাদির ব্যঞ্জন খাইতে দিলেন। অনেক দিন পরে এ-সমুদয় প্রিয় খাদ্যদ্রব্যাদি পাইয়া পরম পরিতোষ লাভ করিয়াছিলাম। প্রধান লামা আমাদিগকে বুদ্ধদেবের প্রতি ভক্তিমান্ থাকিতে উপদেশ দিলেন। লামা উগায়েনগিয়াৎসু বলিলেন—“আমাদের হিমালয়ের এই অঞ্চল সম্পর্কে কোনরূপ অভিজ্ঞতা নাই। আপনি যদি আমাদিগকে সাহায্য করেন। তবে একান্ত বাধিত হইব।” প্রধান লামা আমাদিগকে সাহায্য করিতে প্রতিশ্রুতি দিলেন। তাঁহার এই সদাশয়তার জন্য আমরা তাঁহাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ দিলাম। আমি লামার সহিত কথা বলিবার সময় নেপালী ভাষা এবং তিব্বতীয় ভাষা উভয় ভাষায়ই কথা বলিয়াছিলাম। লামা আমাকে ‘পাবু লামা’ বলিয়াই মনে করিয়াছিলেন। আমি অপ্রাসঙ্গিকভাবে আমার নাম ধাম ইত্যাদির কোনও পরিচয় দেন নাই। যাঁহার যেমন মনে হইয়াছে তিনি আমাকে সেইরূপ ভাবিয়া লইয়াছেন।
২৪শে জুন। আজ গ্রামের লোকেরা আমাদের মধ্যাহ্ন ভোজনের জন্য নিমন্ত্রণ করিয়াছিল। ভেড়ার মাংস, রুটি, আলু সিদ্ধ, বিবিধ ব্যঞ্জন এবং উত্তেজক পানীয় ‘মোরওয়া’ও আমাদের
১৭০