হিমালয়-অভিযান
৩রা জুলাই। অতি প্রত্যূষে যাত্রা করিলাম। পথে একটি নদীর ধারে রান্না করিয়া খাওয়া দাওয়া সারিয়া মধ্যাহ্ন বেলা আবার যাত্রা সুরু করিলাম এবং বেলা প্রায় দুই ঘটিকার সময় ডোক্পা নামক একটি সহরে আসিলাম। এখানে প্রায় ৬০০ শতটি পরিবার আছে। ইহারা চাষ বাস করিয়া জীবনধারণ করে। প্রত্যেকটি বাড়ীর চারিদিকে মাটির বা পাথরের দেওয়াল। ঘরগুলি পাথরের বা কাঁচা ইটের তৈয়ারী। এখানে গোরু, ভেড়া, ছাগল প্রভৃতি অতি অল্প মূল্যে বিক্রয় হয়। ফুরচঙ্গ তাহার ঘোড়া হইতে নামিয়া হাতে একটা ধারালো লম্বা খুরকি ও লাঠি লইয়া সহরের দিকে চলিল, কিছু ভেড়ার মাংস সংগ্রহ করিয়া আনিতে। তাহাকে দেখিয়া তিব্বতীয় ব্যাঘ্রাকৃতি কুকুরগুলি ভীষণ চীৎকার করিতে করিতে ছুটিয়া আসিল, কিন্তু ফুরচঙ্গ তাহার লাঠি দিয়া তাহাদিগকে তাড়াইয়া দিল। আমরা এ সহরের লোকদের নিকট শুনিলাম যে আমাদের গন্তব্য পথে দস্যু—ডাকাতের ভয় আছে। সেইজন্য আমি আমার পিস্তলে গুলি ভরিয়া লইলাম, লামা তাহার তরবারি কোমরে ঝুলাইলেন এবং পিস্তলও ঠিক্ করিয়া লইলেন।
বেলা তিনটার সময় আমাদের উৎরাই আরম্ভ হইল। একটি সমতলক্ষেত্রে আসিলাম। ঊষর সমতল প্রান্তরের উত্তর-
১৯২