বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/২১২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

একজন তিব্বতীয়ের নানা গল্প ও হাস্য-কৌতুকাভিনয় দেখিয়া পরমানন্দে অতিবাহিত করিয়াছিলাম।

 ৫ই জুলাই। আজ আমরা দূর হইতে তিব্বতের বিখ্যাত রিগোম্পা বিহার দেখিতে পাইয়াছিলাম। ঐ মঠে প্রায় ৩০০ শত লামা বাস করেন। মঠের অনতিদূরে তামার নামে একটি সহর আছে। ঐ সহরে অনেকগুলি চৈত্য রহিয়াছে। এবেলা চারিটার সময় আমরা নাম-বু-ডঙ্গলা গিরিপথ ধরিয়া অগ্রসর হইলাম। তখনও বরফ পড়া থামে নাই। সন্ধ্যার পূর্ব্বে গিরিপথ উত্তীর্ণ হইয়া একটি নদীর পারে আসিলাম। স্থানের উচ্চতা সমুদ্রতটসমতা হইতে ১৩,৫০০ ফিট হইবে। রাত্রিতে ভয়ানক শীত পড়িয়াছিল। আর সারা রাত্রি হিমকণা বর্ষণ করিতে করিতে বাতাস গর্জ্জন করিতে করিতে ছুটিয়াছিল।

 ৬ই জুলাই। অতি প্রত্যূষে যাত্রা আরম্ভ করিলাম। লা গিরিশৃঙ্গ হইতে উৎরাই বড় কঠিন ছিল। আমরা ঘোড়া হইতে নামিয়া পায়ে হাঁটিয়া চলিয়াছিলাম। সন্ধ্যার সময় আমরা লা-জঙ্গ নামক একটি গ্রামে আসিলাম। টারগি-চূবা চূথা-চূ নামক নদীর তীরে গ্রামটি অবস্থিত। আমরা অন্যান্য যাত্রীদলের সহিত এই গ্রামে রাত্রি কাটাইলাম।

 ৭ই জুলাই। সকালে উঠিয়া ঘোড়ায় চড়িয়া রওয়ানা হইলাম। আমরা পথে মঠের পর মঠ এবং অনেক লামা ও জিলঙ্গ বা

১৯৪