হিমালয়-অভিযান
বলিলাম যে আমি একজন কাঠের ব্যবসায়ী। পেশোয়ারে আমার মালিক থাকেন, তাঁহার নির্দ্দেশক্রমে ঐ দিকে যাইতেছি। নদীর উপর দিক হইতে কিভাবে কাঠ চালানি হইতে পারে সে উদ্দেশ্যেই আমার যাত্রা। যে সকল মাঝিরা নদীর উপর দিক হইতে কাঠের ভেলা ভাসাইয়া আনে তাহাদের একজন আমার মালিককে চিনিত সে বলিল, এখন আপনার পক্ষে ঐ দিকে যাওয়া সম্ভবপর হইবে না। বরফের চাপে পথ আট্কা পড়িয়াছে। লামুতি গিরিবর্ত্ম দিয়াই আমাকে অগ্রসর হইতে হইবে, কিন্তু সে পথ বরফে অবরুদ্ধ, কাজেই নিরাশ-চিত্তে আমাকে পেশোয়ার ফিরিয়া আসিয়া পুনরায় যাত্রার জন্য জুন মাস পর্য্যন্ত অপেক্ষা করিতে হইল।
১১ই জুন। আমি পুনরায় পেশোয়ার ছাড়িলাম। তোতাই নামক গ্রামের একজন সৈয়দ আমার পথপ্রদর্শক হইলেন। তিনি আমাকে সোয়াত পর্য্যন্ত পৌঁছাইয়া দিতে সম্মত হইলেন। সোয়াত জেলার লোকেরা সৈয়দদিগকে অত্যন্ত সম্মান করিয়া থাকে। কাজেই একজন সৈয়দকে আমার পথপ্রদর্শকরূপে পাইয়া আমার ভরসা হইল যে দস্যু-ডাকাতের হাতে পড়িয়া অযথা প্রাণনাশ হইবে না।
আমরা ১৩ই জুন আবাজাই ছাড়িয়া সোয়াত নদীর তীর ধরিয়া অগ্রসর হইতে লাগিলাম। পথে পড়িল জিন্দি
১৯৮