মোল্লা আতা মুহম্মদ
বা লুন্দি নামে একটি নদী। কয়েক মাইল পথ হাঁটিয়া আমরা সোয়াত এবং সিন্ধু নদের একটি সঙ্গম স্থানে আসিলাম। এখানে নদী অতিক্রম করা দুঃসাধ্য। নদীর দুই ধারে দুর্গম শিলাকীর্ণ উচ্চ গিরিশৃঙ্গ। এজন্য এপথ হইতে প্রত্যাবর্ত্তন করিয়া অন্য একটি সহজ পথ ধরিয়া কোজাতোতাই নামক একটি পার্ব্বত্য পল্লীতে আসিলাম। এখানে প্রায় ১,০০০ হাজার ঘর আছে। সন্ধ্যার একটু পরে আমরা এই পল্লীতে আসিয়া পৌঁছিয়াছিলাম। গ্রামে যে বাড়ী অতিথি হইলাম, সে বাড়ীর লোকেরা সৈয়দ সাহেবের জন্য একখানি ‘চারপাই’ আনিয়া দিল। আমিও সেই চারপাইয়ের উপর সৈয়দ সাহেবের সহিত একসঙ্গে বসিয়া ধূমপান করিতে আরম্ভ করিলাম। ইহাতে বাড়ীর লোকেরা যে বিরক্ত হইয়াছিল তাহা তাহাদের ব্যবহার দ্বারাই বেশ বুঝিতে পারিয়াছিলাম। সৈয়দ সাহেব তাহাদের মনোগত ভাব বুঝিতে পারিয়া বুঝাইয়া দিলেন যে আমিও একজন সৈয়দ, তখন আর তাঁহারা কোনরূপ উচ্চবাচ্য করিল না।
১৪ই জুন। আজ সকালে কোট ছাড়িলাম। পথ বেশ ভাল। মালবোঝাই টাট্টু ঘোড়াও দিব্যি চলিতেছিল। দুই মাইল সমতল পথে চলিবার পর চড়াই পাইলাম। এই গিরিশৃঙ্গটি উত্তীর্ণ হইবার পর দেখিতে পাইলাম বাম দিক দিয়া সোয়াত নদী বহিয়া যাইতেছে। আমরা যে পথ ধরিয়া চলিতেছিলাম,
১৯৯