মোল্লা আতা মুহম্মদ
মৎস্য পাওয়া যায়। এখানে এক জাতীয় লাল রঙের বৃহদাকার মৎস্য অত্যন্ত সুস্বাদু। ঐ মাছের এক একটির ওজন আধ মণেরও বেশী হইয়া থাকে। এ জাতীয় মৎস্য নদীর স্রোতোজলের বিপরীত দিকে যাইতে থাকে। সে সময়ে সুযোগ বুঝিয়া কৌশলী পাঠানেরা এই মাছ ধরে।
এ-স্থানের অধিবাসীরা তেমন বলিষ্ঠ নহে। বোধ হয় ভাত খায় বলিয়াই তাহারা দুর্ব্বল।
এই অধিত্যকা প্রদেশে বিভিন্ন মুদ্রার প্রচলন আছে। ব্রিটিশের মুদ্রা পূর্ব্বে এপ্রদেশে চলিত না, সম্প্রতি ইহার চল হইয়াছে। মহম্মদশাহী এবং গুণ্ডা মুদ্রার প্রচলনই এখানে বেশী।
এদিকের প্রত্যেক গ্রামেই কতকটা নিষ্কর জমি একদল দরিদ্র আফগান ভোগ করে। তাহাদিগকে মালাতার বলে। এই পাঠানেরা যেমন গ্রামবাসীদের নিকট হইতে নিষ্কর জমি ভোগ করে; তেমনি তাহাদিগকে অন্য গ্রামের বিরুদ্ধ পক্ষের আক্রমণ হইতে এবং দস্যু-তস্করের উপদ্রব হইতে গ্রাম রক্ষা করিবার জন্য রক্ষিবাহিনীরূপে কাজ করিতে হয়।
উচুদাড়া নামক গ্রামে সে সময়ে রহমতউল্লা খান নামে একজন সর্দ্দারকে দেখিয়াছিলাম। তিনি প্রায় কুড়ি পঁচিশটি গ্রামের সর্দ্দার ছিলেন। প্রত্যেক গ্রামের লোকদের ঘর পিছে তাঁহাকে এক টাকা বাৎসরিক হিসাবে জমা দিতে হইত। কিন্তু জমি-জমার
২০৩