বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/২২২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

উপর তাহাদের কোনও খাজনা দিতে হইত না। গ্রামের সমুদয় বিষয়ের গোলযোগ বিবাদ-বিসম্বাদের মীমাংসা তিনি করিয়া দিতেন। গ্রামের লোকদের উপর তাঁহার এই প্রভাব রহমতউল্লা খাঁ নিজেই বিস্তার করিতে সক্ষম হইয়াছিলেন। তাঁহার দলে অনেক লোক ছিল।

 ১৯শে জুন। আজ আমরা গ্যারিদাগি নামক পল্লীতে আসিলাম। একটি স্বচ্ছতোয়া ক্ষুদ্রপরিসরা নদীর উপরে গ্রামটি অবস্থিত। গ্রামের বাম দিকে গিরিশ্রেণী শোভা পাইতেছিল। পর্ব্বতের নিম্নভাগ নানাজাতীয় কণ্টকগুল্মে আচ্ছাদিত ছিল। ঐ গুল্মগুলির উচ্চতা কোনটিরই ছয় ফিটের কম ছিলনা। ঐ গুল্মের মধ্যে এক প্রকার ফল জন্মে। স্থানীয় লোকদের নিকট ঐফল অত্যন্ত প্রিয়। গুল্মের নানারূপ রোগ আরোগ্যেরও ক্ষমতা আছে।

 গ্যারিদাগি হইতে আমরা হাজারার দিকে রওনা হইলাম। নিক্‌পিখেল নামক অধিত্যকা প্রদেশ উত্তীর্ণ হইয়া সারসিনাই নামক গ্রামে আসিয়া পৌঁছিলাম। এখানে একদিন থাকিতে হইল।

 ২২শে জুন। আজ এ গ্রাম হইতে অন্য পথ ধরিয়া আমাদের গন্তব্য স্থানে চলিলাম। এসময়ে ঐ গ্রামের লোকদের পরস্পরের মধ্যে নানা অশান্তি ও দাঙ্গাহাঙ্গামা চলিতেছিল।

২০৪