দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান-অতীশের তিব্বত-যাত্রা
মূর্ত্তি অঙ্কিত ছিল। ইহা হইতে আমরা বুঝিতে পারি যে দীপঙ্করকে তৎকালের প্রসিদ্ধ পণ্ডিতগণ, নাগার্জ্জুনের সহিত সমান মর্য্যাদা দিতে পরাঙ্মুখ হইতেন না। এবং তিনি সাধারণের নিকট কিরূপ সম্মানিত ছিলেন তাহাও ইহা হইতে জানিতে পারা যায়। সেই বিহারের আর এক দিকের প্রাচীর গাত্রে প্রাচীন কালের পণ্ডিতগণের আলেখ্য অঙ্কিত ছিল, এবং সিদ্ধাচার্য্যগণের মূর্ত্তির চিত্রও তাহাতে ছিল।
দীপঙ্কর যখন বিক্রমশীলা বিহারে বাস করিতেন সে সময়ে তিনি বিহার ও মন্দিরের চাবি নিজের কাছে রাখিতেন। অতীশের আঠারোটী চাবি রক্ষা করিতে হইত। ইহা হইতে মনে হয় যে সে সময়ে অষ্টাদশটি বিহার ও মন্দির বিক্রমশীলা বিহারের অন্তর্ভূত ছিল। দীপঙ্কর আঠারোজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে অধ্যাপনার জন্য এক একটি স্বতন্ত্র শ্রেণী-বিভাগ করিয়া দিয়াছিলেন।
বিক্রমশীলা বিহারের অধ্যক্ষের পদ গ্রহণ করিবার পরও তাঁহাকে কার্য্যোপলক্ষ্যে মধ্যে মধ্যে বিভিন্ন বিহারে যাতায়াত করিতে হইত বলিয়া মনে হয়। অন্ততঃ সোমপুরী বিহারে কিছুদিনের জন্য তিনি বাস করিয়াছিলেন বলিয়া অনুমিত হয়। তেঙ্গুরের ক্যাটালগ হইতে তাহার আভাস পাওয়া যায়।
এই সময়ে হিমালয়ের উত্তর প্রান্তে সুদূর তিব্বতে দীপঙ্করের অমরত্ব লাভের পথ ধীরে ধীরে পরিষ্কৃত হইতেছিল। সমগ্র বৌদ্ধ-
৯